শিক্ষাঙ্গন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শিক্ষাঙ্গন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১২ আগ, ২০২১

নড়াইল জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও সম্মাননা প্রদান

নড়াইল জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও সম্মাননা প্রদান


নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইল জেলা পুলিশের আয়োজনে মাসিক কল্যাণ সভা ও জুলাই মাসের ভালো কাজের জন্য মানদণ্ড অনুযায়ী শ্রেষ্ঠ অফিসার দের পুরস্কৃত করলেন পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায়। আজ (১২আগষ্ট) বৃহঃবার সকাল ১০:০০ ঘটিকার সময় নড়াইল জেলা পুলিশের আয়োজনে মাসিক কল্যাণ সভা,পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেটে অনুষ্ঠিত হয়। কল্যাণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায় পিপিএম (বার)। 

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মোঃ রিয়াজুল ইসলাম,(সদর সার্কেল) তানজিলা সিদ্দিকা,সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল) প্রণব কুমার সরকার, সহকারী পুলিশ সুপার (প্রঃ) মোঃসোহানুর রহমান সোহাগ প্রমূখ। নড়াইল জেলার সকল থানা ও বিভিন্ন পুলিশ বিট পুলিশ ইউনিটের অফিসার ইনচার্জ সহ পুলিশ সদস্যগণ।কল্যাণ সভায় পুলিশ সুপার সকল পুলিশ সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং কোন প্রকার অসুবিধা থাকলে তাৎক্ষণিক ভাবে পুলিশ সুপারকে জানানোর জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। কল্যাণ সভা শেষে জুলাই ২০২১ ইং মাসের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে যে সকল পুলিশ অফিসার ও ফোর্স গণ শ্রেষ্ঠ স্থান অধিকার প্রাপ্ত অফিসারদের সন্মাননা পুরস্কার তুলে দেন,পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায় পিপিএম (বার)। পুরস্কারপ্রাপ্ত অফিসার ও ফোর্সগণ হলেন,নড়াগাতি থানার শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট অফিসার এস আই (নিঃ) নাজমুল হাচান, আদালতের কাজের জন্য শ্রেষ্ঠ অফিসার এ এস আই (নিঃ) মোঃহামিদুল ইসলাম, আদালতের কাজের জন্য শ্রেষ্ঠ কনস্টেবল মিঠুন জোয়াদ্দার,জেলা বিশেষ শাখার গোপন তথ্যের জন্য শ্রেষ্ঠ অফিসার এএসআই(নিঃ) আব্দুল মান্নান,জেলা বিশেষ শাখার গোপন তথ্যের জন্য শ্রেষ্ঠ ওয়াচার কনস্টেবল মোল্লা আব্দুল মকিত,শহর ও যানবাহন শাখার শ্রেষ্ঠ অফিসার সার্জেন্ট শ্রী নিশিকান্ত বিশ্বাস, নড়াইল সদর থানার শ্রেষ্ঠ বিটি অফিসার এস আই(নিঃ) মোঃমঞ্জুর মোর্শেদ,লোহাগড়া থানার শ্রেষ্ঠ বিট অফিসার এস আই (নিঃ) মোঃলুৎফর রহমান, কালিয়া থানার শ্রেষ্ঠ বিট অফিসার এস আই (নিঃ) এস এম রেজাউল করিম,নড়াগাতি থানার শ্রেষ্ঠ বিট অফিসার এস আই (নিঃ) মনিরুজ্জামান খান। পুলিশ সুপার কল্যাণ সভার বক্তব্যে বলেন, ভালো কাজের জন্য পুরস্কার এবং মন্দ কাজের জন্যে তিরস্কার।কাজেই সকল পুলিশ সদস্যকে অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে হবে।দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ পেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি আরো বলেন, বর্তমান করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে গেছে তাই অবহেলা না করে সকলকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে ডিউটি পালন করতে হবে,এবং যার যার এলাকায় সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে, দাঙ্গা-হাঙ্গামা যাহাতে না হয় এবং সকল জনগণের সাথে সুন্দর ব্যবহারের মাধ্যমে সেবা প্রদান করাই পুলিশের ধর্ম বলেও জানান।

২৬ জুন, ২০২১

ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি বাংলাদেশ শহীদুল্লাহ্ আল আজাদ কে আহবায়ক করে খুলনা কমিটি গঠন

ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি বাংলাদেশ শহীদুল্লাহ্ আল আজাদ কে আহবায়ক করে খুলনা কমিটি গঠন


স্টাফ রিপোর্টারঃনির্যাতিত" নিপিড়ীত ও অধিকার বন্ধিত সহ সকল সিনিয়র ও জুনিয়র সাংবাদিকেদের নিয়ে গঠিত" ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশ,, এ দিকে উক্ত সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির পর এবার ১১ সদস্য বিশিষ্ট খুলনা জেলা আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি আব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল্লাহ আল নোমান, সহ খুলনা বিভাগীয় টিম লিডার বাবু দেবব্রত মন্ডল ও খুলনা জেলা কমিটির আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ আল আজাদ সহ আহবায়ক, যুগ্ম আহ্বায়ক ,সদস্যদের  শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে খুলনা জেলা কমিটি। এ দিকে ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশের খুলনা জেলা কমিটির আহবায়ক মনোনীত হয়েছেন,, শেখ ছখিনা খয়বার শিল্পী বেতার শ্রোতা সংঘের সভাপতি, গীতিকার ও সুরকার সহ ব্যাচিক শিল্পী ও তরুণ প্রজন্মের অহংকার দৈনিক বাংলাদেশ সংবাদ ও দৈনিক প্রতিদিনের স্বদেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ( ১)আহবায়ক মোঃ শহীদুল্লাহ আল আজাদ। (২.) খুলনা জেলা কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন" খুলনা ইসলামীয়া কলেজের ইংরেজি প্রভাষক" বাংলাদেশ বেতার খুলনার উজ্জ্বল নক্ষত্র একাধারে" সাংবাদিক/ সংবাদ পাঠক/ উপস্থাপিকা ও অভিনয় শিল্পী ইফফাত সানিয়া ন্যান্সি,,  (৩)যুগ্ন আহবায়ক দৈনিক সংযোগ বাংলাদেশের প্রতিনিধি ও প্রেস ক্লাব রূপসার সাধারণ সম্পাদক মোঃ খবিরুদদীন, । (৪) যুগ্ম আহবায়ক" রূপসা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সভাপতি দৈনিক প্রবাহ পত্রিকার সাংবাদিক 
 মোঃ বেনজির হোসেন। (৫) যুগ্ন আহবায়ক , দৈনিক রূপসা আন্ধল পত্রিকার সম্পাদক  মুন্সী মোঃ রায়হান দৈনিক। (৬) যুগ্ন আহবায়ক,  তরুন সমাজ সেবক, রূপসা ব্লাড কাফেলার প্রতিষ্ঠাতা, দৈনিক প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিক এফ এম বোরহান।(৭)যুগ্ন আহবায়কঃ তরুণ প্রজন্মের অহংকার দৈনিক আমাদের ফোরাম পত্রিকার সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী  মোঃ মিজানুর রহমান। (৮) সদস্য সচিবঃ তরুণ সমাজের নতুন অহংকার জাতীয় দৈনিক সন্ধাবানী পত্রিকার সাংবাদিক মোঃ রাসেল শেখ সদস্য , (০৯) সদস্যঃ শেখ ছখিনা খয়বার শিল্পী গোষ্ঠী বেতার শ্রোতা সংঘের সম্পাদক,  খুলনা"ল কলেজের শিক্ষার্থী দৈনিক বাংলাদেশ সংবাদ পত্রিকার রিপোর্টার মোঃ ওমর ফারুক, (১০) সদস্যঃ দৈনিক এশিয়া বানী পত্রিকার রিপোর্টারও তরুণ প্রজন্মের অহংকার বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ, প্রেসক্লাব রূপসার সাংগঠনিক সম্পাদক , মোহাম্মদ  আজিজুল ইসলাম। (১১) সদস্যঃ তরুন প্রজন্ম ও নতুন সাংবাদিকদের অহংকার, দৈনিক প্রতিদিনের স্বদেশ পত্রিকার সাংবাদিক ও সমাজ সেবক, মোঃ সোহরাব কাজি। উক্ত অনুমোদিত খুলনা জেলা কমিটির দেয়া হয়েছে" এ দিকে ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি আব বাংলাদেশ" সংগঠনকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান ও খুলনা বিভাগীয় টীম লিডার বাবু দেবব্রত মন্ডল সহ খুলনা  আহবায়ক কমিটির  বিনীত আহবান এই যে" সকলের দোয়া ও ঐক্যবদ্ধ ভালোবাসা নিয়ে এগিয়ে যাবে খুলনা আহবায়ক সহ কেন্দ্রীয় কমিটি।

২৯ এপ্রি, ২০২১

নতুন শিক্ষাক্রম আরও এক বছর পিছিয়ে গেল

নতুন শিক্ষাক্রম আরও এক বছর পিছিয়ে গেল


প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়নের কাজ আরও এক বছর পিছিয়ে গেল। এর ফলে আগামী বছরও নতুন শিক্ষাক্রমে বই পাবে না শিক্ষার্থীরা। এখন নতুন সিদ্ধান্ত হলো, প্রস্তাবিত নতুন শিক্ষাক্রমে ২০২২ সালে মাধ্যমিক স্তরের ১০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে পরীক্ষামূলকভাবে নতুন শিক্ষাক্রমের কাজ হবে। এরপর ২০২৩ সালে গিয়ে এই দুটি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন শিক্ষাক্রমের বই দেওয়া হবে। অন্যদিকে প্রাথমিকে আগামী বছর কেবল প্রথম শ্রেণিতে ১০০টি প্রতিষ্ঠানে নতুন শিক্ষাক্রমে পরীক্ষামূলক কাজ হবে এবং পরের বছর এই শ্রেণির সব শিক্ষার্থীর হাতে বই দেওয়া হবে। কিন্তু অন্যান্য শ্রেণিতে কী হবে, সেটি তারা আগামী বছর গিয়ে ঠিক করবে।, আজ বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেনসহ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি), মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং শিক্ষা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। সভায় উপস্থিত একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে এই তথ্য জানান। এনসিটিবির চেয়ারম্যান নারায়ন চন্দ্র সাহা প্রথম আলোকে বলেন, প্রথম, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে আগামী বছর পরীক্ষামূলকভাবে নতুন শিক্ষাক্রমে কার্যক্রম চালানোর আলোচনা হয়েছে। এখন কার্যবিবরণী লেখা হলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। প্রথমে ঘোষণা দেওয়া হয়েছেল চলতি বছর থেকে কয়েকটি শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নতুন শিক্ষাক্রমে বই পাবে। কিন্তু করোনার কারণে তা এক বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়। এরপর ঘোষণা দেওয়া হয়, আগামী বছর থেকে তা বাস্তবায়ন করা হবে। এর মধ্যে আগামী বছরের জানুয়ারিতে প্রাক-প্রাথমিক এবং প্রাথমিকের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি; মাধ্যমিকের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী বই পাওয়ার কথা ছিল। আর ২০২৩ সালে অষ্টম শ্রেণি ও ২০২৪ সালে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নতুন শিক্ষাক্রমের বই দেওয়ার কথা। এরপর উচ্চমাধ্যমিকের বই দেওয়ার কথা। শিক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তনের হাঁকডাক দিয়ে এই নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়নের এই কাজ শুরু করেছিল জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। কথা ছিল, এ মাসে শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করে তার আলোকে জুনের মধ্যে নতুন বই লেখার কাজ শেষ করা হবে। এরপর বই ছাপিয়ে আগামী বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী পাঠ্যবই দেওয়া হবে। কিন্তু এপ্রিল মাস শেষ হতে চললেও এখনো শিক্ষাক্রমের রূপরেখাই অনুমোদন করতে পারেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। অথচ গত নভেম্বরে রূপরেখাটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল এনসিটিবি। কিন্তু অনুমোদন না করে উল্টো কিছু দিন আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় পুরোনো শিক্ষাক্রম অনুযায়ী প্রাথমিক স্তরের বই ছাপতে এনসিটিবিকে নির্দেশ দেয়। এ রকম অবস্থায় আগামী বছর থেকে নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের বই দেওয়ার বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে যায়, যা আজকের সভায় বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলো। লকডাউনের কথা বলা হলেও অভিযোগ উঠেছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়হীনতা এবং এনসিটিবির মাধ্যমিক ও প্রাথমিক অধিশাখার কর্মকর্তাদের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের জন্য সমন্বিতভাবে শিক্ষাক্রম তৈরির কাজ শুরু হলেও প্রাথমিকের প্রশাসন মনে করেছে, এতে তাদের মতামতকে কম গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের কর্তৃত্বও থাকছে না। এখানে বাইরের কিছু লোকের মতামতকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, যেভাবে শিক্ষাক্রমের খসড়া রূপরেখাটি তৈরি করা হয়েছে, তা বর্তমান বাস্তবতায় মাঠপর্যায়ে প্রাথমিকের জন্য বাস্তবায়ন করাও কঠিন। এগুলো নিয়ে প্রাথমিকের প্রশাসনের কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে না বললেও ভেতরে-ভেতরে নতুন শিক্ষাক্রমের বিপক্ষে কাজ করেছেন। আবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও কাজটি ঠিকভাবে সমন্বয় করতে পারেনি। সর্বশেষ ২০১২ সালে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিকের শিক্ষাক্রম পরিমার্জন করা হয়েছিল। সাধারণত পাঁচ বছর পরপর শিক্ষাক্রম পরিমার্জন করা হয়।

২৯ মার্চ, ২০২১

করোনা তো যাচ্ছে না, স্কুল-কলেজ কি বন্ধই থাকবে।

করোনা তো যাচ্ছে না, স্কুল-কলেজ কি বন্ধই থাকবে।


করোনার প্রভাবে বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এক বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ আছে। ইউনিসেফের মতে, বাংলাদেশ ছাড়া আরও ১৩টি দেশে ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে লাগাতার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। তবে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশই একমাত্র দেশ, যেখানে অব্যাহতভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এক বছরের বেশি বন্ধ রয়েছে।

দেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্তের পর ২০২০ সালের ১৭ মার্চ সরকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। ৩০ মের পর পর্যায়ক্রমে সবকিছু খুলে দিলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়টি বারবার পিছিয়ে অবশেষে ৩০ মার্চ স্কুল-কলেজ এবং ২৩ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু মার্চের শুরুতে করোনা সংক্রমণ বাড়ায় সরকার আবারও স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত পিছিয়ে ২৩ মে নিয়ে যায়। প্রশ্ন হচ্ছে, করোনার বর্তমান ঢেউ যদি দীর্ঘ বা তীব্র হয়, তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্তে সরকারের অটল থাকা উচিত কি না।

এ কথা হয়তো সত্য যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় দেশে করোনা সংক্রমণের হার আশঙ্কার তুলনায় কম। কিন্তু আমাদের জানা নেই, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকলে সংক্রমণের হার কত হতো। ইউরোপে স্কুল খোলার পর করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আবার স্কুল বন্ধ করতে হয়েছে। তবে সংক্রমণের এই বৃদ্ধি যে স্কুল খোলার কারণে হয়েছে, তার গবেষণাভিত্তিক সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য–উপাত্ত আছে বলে মনে হয় না। ধরুন, বাংলাদেশে যদি ফেব্রুয়ারিতে স্কুল খুলে দেওয়া হতো, তাহলে আমরা অনেকেই হয়তো করোনার বর্তমান বৃদ্ধির হারের সঙ্গে স্কুল খোলার একটা যোগসূত্র স্থাপনের চেষ্টা করতাম।


তবে করোনা যে সহজে বিদায় নিচ্ছে না, তা মোটামুটি অনুমেয়। জাতিসংঘও বলছে, মৌসুমি রোগ হিসেবে এটি পৃথিবীতে বিরাজ করতে পারে। বিশ্বগ্রামের অংশ হিসেবে তাই সারা বছর বাংলাদেশে অল্পবিস্তর করোনা রোগী থাকা অনেকটা স্বাভাবিক। আর তাই যদি হয়, তাহলে কি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চিরতরে বন্ধ থাকবে? তা নিশ্চয়ই নয়। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাব্যবস্থা আধুনিক সভ্যতার প্রধান ভিত্তি। করোনা এখানেই বেশি আঘাত হেনেছে।

পুরো এক বছরের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষতি আমাদের তেমন ভাবিয়ে তুলেছে বলে মনে হচ্ছে না। কারণ, এ ক্ষতি কলকারখানা, রাস্তাঘাট, গণপরিবহন, হোটেল, রেস্তোরাঁ, বিনোদন কেন্দ্র কিংবা বইমেলা বন্ধ থাকার যে ক্ষতি, তার মতো সহজে প্রকাশ করা যায় না। যেমন ধরুন, আমরা গত বছর লকডাউনের তিন মাসের অর্থনৈতিক ক্ষতির যে হিসাব করেছিলাম, তাতে কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ক্ষতির হিসাব বিবেচনায় আনা হয়নি। কেননা শিক্ষার বহুমাত্রিক দিক থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ক্ষতি সহজে পরিমাপ করা যায় না। আর জিডিপির ভিত্তিতে ক্ষতির হিসাব করলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বড় কোনো ক্ষতি হয়েছে, এমন কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণই পাওয়া যাবে না। কারণ, কিছু কিন্ডারগার্টেন স্কুল ছাড়া আর সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টিউশন ফিসহ অন্যান্য লেনদেন যথারীতি করোনা–পূর্ব অবস্থায় আছে। তাহলে কেউ হয়তো বলতে পারেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এক বছর বন্ধ থাকার ফলে তেমন তো কোনো ক্ষতি হয়নি। তাই আরও কিছুকাল বন্ধ থাকলেই–বা কী হয়?

দেখুন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ক্ষতি একদিকে যেমন ধীরগতি, অন্যদিকে তেমনই সুদূরপ্রসারী। আর তাই দীর্ঘ এক বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সুদূরপ্রসারী প্রভাব হয়তো এখন আমরা পরিমাপ করতে পারছি না। তাই বলে এটা যে অনুপস্থিত, এমনটা ভাবার কোনো যুক্তি নেই। একটু ভাবুন তো, একটি স্কুলপড়ুয়া ছেলে বা মেয়ে কীভাবে দীর্ঘ ১২ মাস পার করল। শহরে না হয় অনলাইনের কল্যাণে স্কুলের সঙ্গে ছাত্রছাত্রীরা সংযুক্ত আছে। কিন্তু লাখ লাখ ছাত্রছাত্রী যারা গ্রামে বসবাস করে, তাদের কথা কেউ কি কখনো ভেবে দেখেছি? বেশির ভাগ নিম্ন আয়ের পরিবারের সন্তানেরা হয়তো আর স্কুলেই ফিরতে পারবে না। অনেকেই হয়তো উপার্জনের পথ বেছে নিয়েছে। তাদের বেশির ভাগই মুঠোফোনসহ বিভিন্ন নেশায় আসক্ত হয়েছে। আর এর সামাজিক ক্ষতির দিকগুলো একটু ভাবুন তো? তারা স্কুলে ফিরলেও তাদের শিক্ষার মান কী রকম হবে, তা–ও সহজেই অনুমেয়।

তাই আমরা অনেকেই বলে থাকি, একটু বেশি পড়াশোনা করে নিলে এসব ক্ষতি পুষিয়ে যাবে। অর্থাৎ আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা পড়ানো, পড়া এবং সর্বোপরি পরীক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ। তাই হয়তো আমরা শিক্ষার বহুমুখী ইতিবাচক দিক নিয়ে কখনো ভাবি না। সন্তান ভালো জিপিএ পেলেই আমরা খুশি। সন্তান ভালো মানুষ হচ্ছে কি না, তা নিয়ে আমরা চিন্তিত নই। কেননা, জিপিএ-৫–এর মতো ভালো মানুষ পরিমাপ করার কোনো মাপকাঠি নেই। সমাজে তাই ভালো মানুষ হওয়ার জন্য কোনো প্রতিযোগিতাও নেই। জিপিএভিত্তিক ফলাফলমূলক শিক্ষাব্যবস্থা আমাদের আরও অন্ধ করে ফেলেছে। শিক্ষার বহুমুখী ইতিবাচক দিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো মানুষের সামাজিকভাবে বেড়ে ওঠার এটি প্রধান নিয়ামক। আর শিশু সামাজিকভাবে গড়ে না উঠলে সে যত বড় বিদ্বানই হোক না কেন, সংকীর্ণতার কূপমণ্ডূকে নিমজ্জিত থাকবে। প্রমাণ তো সমাজে ভূরি ভূরি। একটি শিশু লেখাপড়া না জানলেও সামাজিকভাবে যদি সে বেড়ে ওঠে, তাহলে সে কখনো সমাজ বা দেশের ক্ষতির কারণ হবে না।

দীর্ঘ এক বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ফলে শিক্ষার্থীদের সামাজিকভাবে গড়ে না ওঠার ক্ষতি এবং মানসিক ক্ষতি বিবেচনায় এনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্তই মনে হয় যুক্তিযুক্ত। শিক্ষকদের যেহেতু করোনা টিকার আওতায় আনা হয়েছে এবং বেশির ভাগ শিক্ষকই ইতিমধ্যে টিকা গ্রহণ করেছেন, তাই স্কুল ও কলেজ খোলার বিষয়ে একটি বড় বাধা অপসারিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ছাত্রছাত্রীদের করোনা টিকার আওতায় আনার জন্য নিবন্ধন শুরু হয়েছে। আশা করি আগামী এক মাসের মধ্যে তাদেরও টিকার আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে। আর তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সব বাধা দূর হবে। তাই করোনার সংক্রমণ বাড়ুক অথবা কমুক, আমাদের উদাত্ত আহ্বান, মে মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকুন। আর মানুষের উচিত সরকারকে এই সিদ্ধান্তে অটল থাকতে উৎসাহিত করা। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা কোনোক্রমেই আর গ্রহণযোগ্য নয়।

ড. সৈয়দ আবদুল হামিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক


৪ মার্চ, ২০২১

ছেলের প্রেমিকাকে রাত জে'গে পাহারা' দিচ্ছেন বাবা।

ছেলের প্রেমিকাকে রাত জে'গে পাহারা' দিচ্ছেন বাবা।


বিয়ের দাবি নিয়ে প্রেমিকাকে আসতে দেখেই বাড়ি ছেড়ে নিরুদ্দেশ হয়েছে প্রেমিক আকাশ।

এদিকে প্রেমিকা ময়না খাতুন আত্মহত্যা করে পুরো পরিবারকে ফাঁসিয়ে দিতে পারে এই ভয়ে আকাশের বাবা জহুরুল ইসলাম রাত জেগে পাহারা দিয়েছেন ছেলের প্রেমিকাকে।;


ঘটনাটি ঘটেছে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ছাতিয়ান হাওড়াপাড়া এলাকায়।

বুধবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে রাতভর বাড়ির সামনে একটি গাছের নিচে ময়নাকে পাহারা দিয়েছেন জহুরুল ইসলাম।

বিয়ের দাবি নিয়ে বাওট গ্রামের দিনমজুর আব্দুল বারির মেয়ে স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ময়না গত মঙ্গলবার সকালে তার প্রেমিক পার্শ্ববর্তী ছাতিয়ান গ্রামের হাওড়াপাড়া এলাকার আকাশের বাড়িতে এসে ওঠে।
 
ময়না খাতুন বলে, আমার সঙ্গে আকাশের প্রেমের সম্পর্ক এক বছর।,

সে মোবাইল ফোনে সব সময় আমার আপু, মা-বাবা সবার সঙ্গে কথা বলে। আজ থেকে ১০ দিন আগে আমাদের বাড়িতে গিয়ে আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত ছিল।

এসময় পাড়ার লোকজন আমাদের ধরে ফেলে। গ্রামবাসী এবং আমাদের উভয়ের পরিবারকে বিয়ের সম্মতি দিয়ে আকাশ চলে আসে। এরপর থেকে আকাশ তার ফোন বন্ধ রেখেছে। তাই আমি চলে এসেছি তার বাড়িতে। আকাশের সঙ্গে আমার বিয়ে না হলে আত্মহত্যা ছাড়া আমার কোনো উপায় থাকবে না।

প্রেমিক আকাশের বাবা জহুরুল ইসলাম বলেন, মেয়েকে আমার বাড়িতে আসতে দেখেই সে (আকাশ) পালিয়ে গেছে। আজ দুই দিন তার কোনো খোঁজ নেই। ছেলেকে হাতের কাছে পেলে এই মেয়েকেই তার হাতে তুলে দিয়ে আমি বাঁচতাম। তার পলাতক ছেলেকে খুঁজতে মেয়ের বাবা এবং উপস্থিত সাংবাদিকদেরও অনুরোধ জানান তিনি।',


স্থানীয় মাতব্বর শহিদুল ইসলাম বলেন, ময়না ও আকাশকে অনৈতিক কাজ করা অবস্থায় ধরে ফেলেছিল প্রতিবেশীরা। আমরা উভয়ের পরিবারের কর্তা ব্যক্তিদের নিয়ে এক জায়গায় বসে সমাধানের চেষ্টা করেছি। কিন্তু সেটাতে ব্যর্থ হয়েছি। আমরা দুজনের অভিভাবকদের কাছে তাদের তুলে দিই।

ছাতিয়ান গ্রামের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান জানান, দুই দিন ধরে মেয়েটি ছেলের বাড়িতে অনশন করছে। এসব ঘটনার কারণে আজ সামাজিক অবক্ষয় চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিষয়টি নিয়ে রাত পোহালেই বসা হবে বলে জানান তিনি।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রহমান জানান, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে বলে সুরাহা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  তারপরও সমাধান না হলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  




৩ মার্চ, ২০২১

চাঁপাইনবাবগঞ্জে' এক 'ছাত্রী,র আত্মহত্যা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে' এক 'ছাত্রী,র আত্মহত্যা




চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের পুলপাড়া স্লুইচ গেট এলাকায় এক ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। বুধবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে নিজ শয়ন কক্ষে আত্মহত্যা করে।

আত্মহত্যাকারী ছাত্রী হল-চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার বেলতলা (শিবতলা) এলাকার মোঃ সেন্টু আলীর মেয়ে শিখা খাতুন। শিখা নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের অনার্স ১ম বর্ষের ছাত্রী।;,
নিহত ছাত্রীর পরিবার ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন হতে শিখা অসংলগ্ন কথা বার্তা বলে আসছিল। বুধবার সকাল ১০ টার দিকে তার মা মেয়েকে তার শয়ন কক্ষের ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে থাকতে দেখে চিৎকার দেয়। মার চিৎকারে প্রতিবেশী ছুটে আসে এবং সদর মডেল থানায় খবর দেয়। সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ‍উদ্ধার করে আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।,
সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) কবির হোসেন আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। আত্মহত্যার কারণ এখনো জানতে পারেন নি। এঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে বলে জানান ওসি তদন্ত কবির।;


২৪ ফেব, ২০২১

 বিরল প্রজাতির নীলগাই উদ্ধার

বিরল প্রজাতির নীলগাই উদ্ধার

 


মোঃসোহেল রানা,ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সীমান্তবর্তী নাগর নদীর তীর এলাকা থেকে বিরল প্রজাতির একটি নীলগাই (গরু) আটক করেছে এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার পাড়িয়া শালডাঙ্গা এলাকায় পথচারীরা বিরল প্রজাতির নীলগাই (গরু) দেখতে পায়। তারা সেটিকে ধরার চেষ্টা করলে অর্ধ শতাধিক এলাকাবাসী নীলগাইটিকে আটক করতে সক্ষম হয়।

খবর পেলে বালয়িাডাঙ্গী উপজেলার পারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান ও স্থানীয় কান্তিভিটা বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হয়। পরে বিজিবি সদস্যরা নীলগাইটি নিজেদের হেফাজতে নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রুতগতিতে আসা নীলগাইটি কয়েকজন মিলে সেটিকে উদ্ধার করে পা বেঁধে নিরাপদে জায়গায় রাখে।

পারিয়া শালডাঙ্গা এলাকার সাদেক আলী বলেন,
প্রায় কয়েকদিন ধরে সীমান্তবর্তী নাগর নদীর আশে পাশেই জঙ্গলে নীলগাইটি ছিল।

ঠাকুরগাঁও বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা হরিপদ দেবনাথ বলেন, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় বিলুপ্ত প্রজাতির নীলগাইটি উদ্ধারের কথা শুনেছি।

উপজেলার চেয়ারম্যান আলী আসলাম জুয়েল বলেন, নীলগাইটি এলাকাবাসী আটক করার সময় কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়ে। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রাণীটি সুস্থ হলে কথায় পাঠালে ভাল হয় বন বিভাগের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।


২২ ফেব, ২০২১

মানবতার সেবায় হুইল চেয়ার বিতরণ করেন মেয়র আশরাফুল আলম লিটন।

মানবতার সেবায় হুইল চেয়ার বিতরণ করেন মেয়র আশরাফুল আলম লিটন।




মো:সম্রাট হোসেন
বেনাপোল যশোর,প্রতিনিধি :

যশোরের বন্দরনগরী বেনাপোলে মানবতার সেবায় একটি হুইল চেয়ার বিতরণ করেন বেনাপোল পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম লিটন।
সোমবার৷ ২২শে ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে পাঁচ ঘটিকায় বেনাপোল নিত্য হাট মার্কেটে মোছাঃ নাজমা খাতুন কে একটি হুইল চেয়ার বিতরণ করেন মানবতার ফেরিওয়ালা বেনাপোল পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম লিটন।

মোছাঃ নাজমা খাতুন (৩৭ ) বেনাপোল বড় আঁচড়া গ্ৰামের মোঃ শুকুর আলীর কন্যা সে জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী এবং অনেক দিন ধরে প্যারালাইসিস ও মাত্রাতিরিক্ত ওজনে ভুগছিলেন। নাজমার পিতা মোঃ শুকুর আলী পেশায় একজন প্রাইভেট চালক তার পরিবারটি অচচ্ছল হওয়ায় মানবতার ফেরিওয়ালা জনাব আশরাফুল আলম লিটন তার পরিবারের হাতে হুইল চেয়ারটি তুলে দেন নাজমার পরিবারের নিকট। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল পৌরসভার জননন্দিত মেয়র ও যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক- মোঃ আশরাফুল আলম লিটন সহ আরও উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান- মেহেদী হাসান, বেনাপোল পৌর আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক- সুকুমার দেবনাথ, যশোর জেলা আওয়ামী সংস্কৃতিক ফরমের সহ-সভাপতি- ইমদাদুল হক বকুল, শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক ও বাহাদুরপুর ইউনিয়ান ছাত্রলীগের সভাপতি এবং বাহাদুরপুর ইউনিয়ান পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী- মোঃএনামুল হক মুকুল, বড়আচড়া আওয়ামীলীগের নেতা ইসরাইল সরদার, যুবলীগ নেতা পলাশ সহ প্রমুখ।
নাজমার পরিবার হুইল চেয়ারটি পেয়ে খুবই খুশি হন এবং মেয়র লিটনের জন্য দোয়া করেন।