ঢাকা প্রতিনিধি : সাভারের আশুলিয়ায় বকেয়া বেতন চাওয়ায় এক নারী পোশাক শ্রমিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে কারখানার জেনারেল ম্যানেজারসহ তিনজনের বিরুদ্ধেস। বুধবার (৬ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুদীপ কুমার গোপ। এর আগে গত রোববার আশুলিয়ার কাঠগড়া মন্ডলপাড়া এলাকার ওই কারখানায় বেতন নিতে গেলে নারী পোশাক শ্রমিককে বেতন না দিয়ে মারধর করা হয়। অভিযুক্তরা হলেন- আশুলিয়ার কাঠগড়া মন্ডলপাড়া এলাকার আলমাস মন্ডলের ছেলে সোহাগ মন্ডল, ওই কারখানার জেনারেল ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম ও সিকিউরিটি ইনচার্জ অমল কুমার ঘোষ।
ভুক্তভোগী পোশাক শ্রমিক জানান, রোববার রাত ৮টার দিকে তিনি বেতন চাইতে যান। এ সময় কারখানার মালিক সোহাগ মন্ডল, জিএম শহিদুল ও সিকিউরিটি ইনচার্জ অমল কুমার ঘোষ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। পরে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করে সোহাগ মন্ডল। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, আমি পরিশ্রমের টাকা চাইতে গেছিলাম। কিন্তু তারা আমায় বেতন না দিয়ে মারধর করেছে।
এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুদীপ কুমার গোপ জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বাধীন বাংলা গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের আশুলিয়া থানা কমিটির সভাপতি আল-কামরান বলেন, গত ঈদের আগে বকেয়া বেতন চাইলে এই সোহাগ মন্ডল তিনজন শ্রমিকে মারধর করে। তিনজনসহ ৯জনকে বকেয়া বেতন ছাড়াই বের করে দেয়। এই ৯জন শ্রমিক মিলে শিল্প পুলিশে অভিযোগ করে কিন্ত কোন বিচার হয় নাই। আবার একজন নারী শ্রমিক বেতন চাইতে গেলে সোহাগ মন্ডল সহ তিনজনে মিলে নারী শ্রমিককে মারধর করে এর তীব্র নিন্দা জানাই। অতি দ্রুত বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
কেনো বারে বারে কারখানা কতৃপক্ষ বহিরাগত লোক দিয়ে শ্রমিকদের মারধর করে এর দায়বার সব কারখানার ই নিতে হবে। তিনি আরো বলেন, ফিউচার ক্লথিং লিমিটেডের শ্রমিকদের মারধোর ও শ্রমিক ছাটাই এর প্রতিবাদে ও বিচারের দাবিতে আগামী শুক্রবার সকাল ১০ টায় আশুলিয়া প্রেসক্লাবের “সামনে সাভার আশুলিয়া শ্রমিক সংগঠেনের” ব্যানারে মানববন্ধন করা হবে ।

