১২ এপ্রি, ২০২২

কাকনী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নব-গঠিত কমিটির সভাপতি শরীফ সরকার, সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন

















তারাকান্দা প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা শাখার অধীনস্থ, ০৩-নং কাকনী ইউনিয়ন শাখার নব-গঠিত কমিটিতে সভাপতি মোঃ শরীফ সরকার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল-আমিন । জানা গেছে, (১০ই- এপ্রিল, রবিবার) তারাকান্দা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রাকিব হাসান মাজাহারুল এবং সাধারণ সম্পাদক শিবু চন্দ্র দাস-এর স্বাক্ষরিত অনুমোদনক্রমে এই নব-গঠিত ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির ঘোষণা করেন ।

অত্র নব-গঠিত কমিটিতে অন্যান্য নেত্ববৃন্দরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ ইসমাইল হোসেন, সহ-সভাপতি তাওহিদুলল ইসলাম, সহ-সভাপতি লিমন আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাকিল সরকার,যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মোঃ জিহাদ হাসান,যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোঃ আবুল হোসেন ফকির, মোঃ সাখাওয়াত সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ফারুক সরকার, মোঃ মোবারক হোসেন মোঃ রাসেল সরকার,প্রচার সম্পাদক মোঃ হৃদয় হাসান বাবু, উপ-প্রচার সম্পাদক মোঃ কাওছার, দপ্তর সম্পাদক শ্রী মিলন রবিদাস, উপ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ আলিফ খান সৌরভ, অর্থ সম্পাদক মোঃ আকাশ বিশ্বাস, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক নাসির হোসেন বাবু, উপক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ কাউসার শেখ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জিয়াউর রহমান  ।


উপ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আপন সরকার, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মোঃ লিমা আক্তার, স্কুল বিষয়ক সম্পাদক কাওসার আহমেদ হিমেল, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সেকান্দর মিয়া, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মমিনুর রহমান, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক রবিদাস দাস, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শামীম আকন্দ জীবন, আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ নুরুজ্জামান, সহ-সম্পাদক রায়হান বিল্লাহ লিমন শেখ,সম্পাদক শামীম মন্ডল, সম্মানিত সদস্যস শরিফুল ইসলাম, সোহেল রানা, মোঃ নাজমুল ইসলাম মোঃ ইলিয়াছ হোসেন মোঃ রুহুল আমিন, আবু-হুরাইয়া বিশ্বাস, মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ্ (মুন্সি) ।

৯ এপ্রি, ২০২২

মায়ের চেয়ে ৩৭'বছরের বড় আপন সন্তান


নয়ন দাস,কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের তিলাই ইউনিয়নের রফিকুল ইসলাম ও তাঁর মা সূর্যভান বেগম।মায়ের জন্মের ৩৭ বছর আগে জন্ম হয়েছে সন্তানের। বাস্তবে এমন ঘটনা ঘটার সুযোগ না থাকলেও জাতীয় পরিচয়পত্রের ভুলের কারণে এমন অসম্ভব ঘটনা সম্ভব হয়েছে। কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের পশ্চিম ছাটগোপালপুর গ্রামের মো. রফিকুল ইসলাম ও তাঁর মা মোছাঃ সূর্যভান বেগমের জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অক্ষরজ্ঞানহীন রফিকুল ইসলাম তাঁর প্রকৃত জন্ম তারিখ জানেন না। তবে তাঁর মা সূর্যভান বেগম নিশ্চিত করে বলেন, রফিকুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধের কয়েক বছর পর জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

জাতীয় পরিচয়পত্রে রফিকুল ইসলামের জন্ম তারিখ লেখা হয়েছে ১৯১৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর। সেই হিসাবে তাঁর বর্তমান বয়স হয় ১০৪ বছর ৬ মাস। কিন্তু বাস্তবে তাঁর বয়স ৪৩ থেকে ৪৫ বছরের বেশি নয়।

অন্যদিকে, জাতীয় পরিচয়পত্র অনুসারে রফিকুল ইসলামের মায়ের জন্ম ১৯৫৫ সালের ২১ মার্চ। সেই হিসাবে রফিকুল ইসলাম তাঁর মায়ের জন্মের সাড়ে ৩৭ বছর আগে জন্মগ্রহণ করেছেন।

এ ছাড়া রফিকুল ইসলামের জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুলের শেষ নেই। তাঁর নাম লেখা হয়েছে রফিকুল ইসরাম। আবার তাঁর মায়ের নাম মোছাঃ সূর্যভান বেগমের পরিবর্তে মোছাঃ সূর্যভান লেখা হয়েছে।

এ বিষয়ে রফিকুল ইসলাম জানান,আমার নাম, মায়ের নাম ও জন্ম তারিখ জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল লেখা হয়েছে। জন্ম তারিখের ভুল আমাকে মায়ের চেয়ে সাড়ে ৩৭ বছরের বড় বানিয়ে দিয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্রের ভুল সংশোধন করতে বিভিন্ন কাগজপত্র ও সময় লাগে। আমি লেখাপড়া জানি না, আমার কোনো কাগজপত্র নাই। এই ভুলের খেসারত কে দেবে?’

স্থানীয় বাসিন্দা আলম হোসেন, আবু শামা ও মিন্টু বলেন,নির্বাচন অফিসের সচেতনতার অভাবে এমন হাস্যকর ভুলের সৃষ্টি হয়েছে। একটি পরিচয়পত্রে তিনটি ভুল। এই ভুলের কারণে রফিকুল ও তাঁর মা বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

৮ এপ্রি, ২০২২

জানাযা পড়াতে ডাকিও তাকে' চিরকুট লিখে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাঃ


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় খালার বাসায় বেড়াতে গিয়ে স্কুলছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানা গেছে। গতকাল বুধবার রাতে দাগনভূঞা বিদ্যুৎ অফিস সংলগ্ন একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে ।

সাবরিনা আফরিন নামের ওই কিশোরী দাগনভূঞা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়তো। লাশ উদ্ধারের সময় একটি চিরকুট পাওয়া গেছে, যেটি নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ।

সেখানে লেখা আছে- ‘প্রিয় আমার মা ও বাবা, আশাকরি ভালো থাকবে; তাও আবার আমি মরে যাওয়ার পরে। ভেবেছিলাম তোমাদের একমাত্র মেয়ে আমি, যা করব সব মেনে নেবে। কিন্তু যারে ভালোবাসলাম তাকে দূরে সরিয়ে দিলে। বেঁচে থেকে কী লাভ, তাই মরে গেলাম। জানাজা পড়ার জন্য তাকে ডাকিও।’

দাগনভূঞা থানার ওসি হাছান ইমাম জানান, মেয়েটির বাড়ি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে। তার বাবার নাম ইসমাইল খান। তারা দাগনভূঞার উপজেলা শহরে ভাড়া বাসায় থাকেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, প্রেমঘটিত কারণ রয়েছে এর পেছনে।