২৯ মার্চ, ২০২১

প্রথম ধাপের ইউপি নির্বাচন স্থগিত হতে পারে।

 


দেশে আবারও বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। আগামী ১১ এপ্রিল ৩৭১টি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচন হওয়ার কথা আছে। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় প্রথম ধাপের এ ইউপি নির্বাচন স্থগিত হতে পারে। আজ সোমবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এক জরুরি বৈঠকে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ সিদ্ধান্ত নেয়। তবে আগামী ১ এপ্রিল বিষয়টি চূড়ান্ত হবে বলে জানায় ইসি।;

ইসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, এটা হয়তো নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে ১ এপ্রিল। আজকে কমিশন একটা সভা করেছে, সেখানে তারা বলেছে যে, ৩১ মার্চের পর আর নির্বাচন হবে না। করোনার কারণে এটা ইসির নীতিগত সিদ্ধান্ত।;


এদিকে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রথম ধাপে একক প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তথা ভোট ছাড়াই ৭৩ জন বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। বিজয়ীরা সবাই ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের। লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপ-নির্বাচনের বিষয়ে আগামী ১ তারিখের সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।,

লেবেলসমূহ:

করোনা তো যাচ্ছে না, স্কুল-কলেজ কি বন্ধই থাকবে।


করোনার প্রভাবে বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এক বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ আছে। ইউনিসেফের মতে, বাংলাদেশ ছাড়া আরও ১৩টি দেশে ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে লাগাতার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। তবে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশই একমাত্র দেশ, যেখানে অব্যাহতভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এক বছরের বেশি বন্ধ রয়েছে।

দেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্তের পর ২০২০ সালের ১৭ মার্চ সরকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। ৩০ মের পর পর্যায়ক্রমে সবকিছু খুলে দিলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়টি বারবার পিছিয়ে অবশেষে ৩০ মার্চ স্কুল-কলেজ এবং ২৩ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু মার্চের শুরুতে করোনা সংক্রমণ বাড়ায় সরকার আবারও স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত পিছিয়ে ২৩ মে নিয়ে যায়। প্রশ্ন হচ্ছে, করোনার বর্তমান ঢেউ যদি দীর্ঘ বা তীব্র হয়, তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্তে সরকারের অটল থাকা উচিত কি না।

এ কথা হয়তো সত্য যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় দেশে করোনা সংক্রমণের হার আশঙ্কার তুলনায় কম। কিন্তু আমাদের জানা নেই, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকলে সংক্রমণের হার কত হতো। ইউরোপে স্কুল খোলার পর করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আবার স্কুল বন্ধ করতে হয়েছে। তবে সংক্রমণের এই বৃদ্ধি যে স্কুল খোলার কারণে হয়েছে, তার গবেষণাভিত্তিক সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য–উপাত্ত আছে বলে মনে হয় না। ধরুন, বাংলাদেশে যদি ফেব্রুয়ারিতে স্কুল খুলে দেওয়া হতো, তাহলে আমরা অনেকেই হয়তো করোনার বর্তমান বৃদ্ধির হারের সঙ্গে স্কুল খোলার একটা যোগসূত্র স্থাপনের চেষ্টা করতাম।


তবে করোনা যে সহজে বিদায় নিচ্ছে না, তা মোটামুটি অনুমেয়। জাতিসংঘও বলছে, মৌসুমি রোগ হিসেবে এটি পৃথিবীতে বিরাজ করতে পারে। বিশ্বগ্রামের অংশ হিসেবে তাই সারা বছর বাংলাদেশে অল্পবিস্তর করোনা রোগী থাকা অনেকটা স্বাভাবিক। আর তাই যদি হয়, তাহলে কি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চিরতরে বন্ধ থাকবে? তা নিশ্চয়ই নয়। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাব্যবস্থা আধুনিক সভ্যতার প্রধান ভিত্তি। করোনা এখানেই বেশি আঘাত হেনেছে।

পুরো এক বছরের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষতি আমাদের তেমন ভাবিয়ে তুলেছে বলে মনে হচ্ছে না। কারণ, এ ক্ষতি কলকারখানা, রাস্তাঘাট, গণপরিবহন, হোটেল, রেস্তোরাঁ, বিনোদন কেন্দ্র কিংবা বইমেলা বন্ধ থাকার যে ক্ষতি, তার মতো সহজে প্রকাশ করা যায় না। যেমন ধরুন, আমরা গত বছর লকডাউনের তিন মাসের অর্থনৈতিক ক্ষতির যে হিসাব করেছিলাম, তাতে কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ক্ষতির হিসাব বিবেচনায় আনা হয়নি। কেননা শিক্ষার বহুমাত্রিক দিক থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ক্ষতি সহজে পরিমাপ করা যায় না। আর জিডিপির ভিত্তিতে ক্ষতির হিসাব করলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বড় কোনো ক্ষতি হয়েছে, এমন কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণই পাওয়া যাবে না। কারণ, কিছু কিন্ডারগার্টেন স্কুল ছাড়া আর সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টিউশন ফিসহ অন্যান্য লেনদেন যথারীতি করোনা–পূর্ব অবস্থায় আছে। তাহলে কেউ হয়তো বলতে পারেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এক বছর বন্ধ থাকার ফলে তেমন তো কোনো ক্ষতি হয়নি। তাই আরও কিছুকাল বন্ধ থাকলেই–বা কী হয়?

দেখুন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ক্ষতি একদিকে যেমন ধীরগতি, অন্যদিকে তেমনই সুদূরপ্রসারী। আর তাই দীর্ঘ এক বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সুদূরপ্রসারী প্রভাব হয়তো এখন আমরা পরিমাপ করতে পারছি না। তাই বলে এটা যে অনুপস্থিত, এমনটা ভাবার কোনো যুক্তি নেই। একটু ভাবুন তো, একটি স্কুলপড়ুয়া ছেলে বা মেয়ে কীভাবে দীর্ঘ ১২ মাস পার করল। শহরে না হয় অনলাইনের কল্যাণে স্কুলের সঙ্গে ছাত্রছাত্রীরা সংযুক্ত আছে। কিন্তু লাখ লাখ ছাত্রছাত্রী যারা গ্রামে বসবাস করে, তাদের কথা কেউ কি কখনো ভেবে দেখেছি? বেশির ভাগ নিম্ন আয়ের পরিবারের সন্তানেরা হয়তো আর স্কুলেই ফিরতে পারবে না। অনেকেই হয়তো উপার্জনের পথ বেছে নিয়েছে। তাদের বেশির ভাগই মুঠোফোনসহ বিভিন্ন নেশায় আসক্ত হয়েছে। আর এর সামাজিক ক্ষতির দিকগুলো একটু ভাবুন তো? তারা স্কুলে ফিরলেও তাদের শিক্ষার মান কী রকম হবে, তা–ও সহজেই অনুমেয়।

তাই আমরা অনেকেই বলে থাকি, একটু বেশি পড়াশোনা করে নিলে এসব ক্ষতি পুষিয়ে যাবে। অর্থাৎ আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা পড়ানো, পড়া এবং সর্বোপরি পরীক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ। তাই হয়তো আমরা শিক্ষার বহুমুখী ইতিবাচক দিক নিয়ে কখনো ভাবি না। সন্তান ভালো জিপিএ পেলেই আমরা খুশি। সন্তান ভালো মানুষ হচ্ছে কি না, তা নিয়ে আমরা চিন্তিত নই। কেননা, জিপিএ-৫–এর মতো ভালো মানুষ পরিমাপ করার কোনো মাপকাঠি নেই। সমাজে তাই ভালো মানুষ হওয়ার জন্য কোনো প্রতিযোগিতাও নেই। জিপিএভিত্তিক ফলাফলমূলক শিক্ষাব্যবস্থা আমাদের আরও অন্ধ করে ফেলেছে। শিক্ষার বহুমুখী ইতিবাচক দিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো মানুষের সামাজিকভাবে বেড়ে ওঠার এটি প্রধান নিয়ামক। আর শিশু সামাজিকভাবে গড়ে না উঠলে সে যত বড় বিদ্বানই হোক না কেন, সংকীর্ণতার কূপমণ্ডূকে নিমজ্জিত থাকবে। প্রমাণ তো সমাজে ভূরি ভূরি। একটি শিশু লেখাপড়া না জানলেও সামাজিকভাবে যদি সে বেড়ে ওঠে, তাহলে সে কখনো সমাজ বা দেশের ক্ষতির কারণ হবে না।

দীর্ঘ এক বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ফলে শিক্ষার্থীদের সামাজিকভাবে গড়ে না ওঠার ক্ষতি এবং মানসিক ক্ষতি বিবেচনায় এনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্তই মনে হয় যুক্তিযুক্ত। শিক্ষকদের যেহেতু করোনা টিকার আওতায় আনা হয়েছে এবং বেশির ভাগ শিক্ষকই ইতিমধ্যে টিকা গ্রহণ করেছেন, তাই স্কুল ও কলেজ খোলার বিষয়ে একটি বড় বাধা অপসারিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ছাত্রছাত্রীদের করোনা টিকার আওতায় আনার জন্য নিবন্ধন শুরু হয়েছে। আশা করি আগামী এক মাসের মধ্যে তাদেরও টিকার আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে। আর তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সব বাধা দূর হবে। তাই করোনার সংক্রমণ বাড়ুক অথবা কমুক, আমাদের উদাত্ত আহ্বান, মে মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকুন। আর মানুষের উচিত সরকারকে এই সিদ্ধান্তে অটল থাকতে উৎসাহিত করা। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা কোনোক্রমেই আর গ্রহণযোগ্য নয়।

● ড. সৈয়দ আবদুল হামিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক


লেবেলসমূহ: ,

২৪ মার্চ, ২০২১

ঘাটাই'লে নারী'র পেটে পাওয়া গেল ২৫ কেজি ওজনের টিউমার।


টাঙ্গাই‌লে এক নারীর পেট থে‌কে অপা‌রেশন ক‌রে ২৫ কেজি ওজনের টিউমার পাওয়া গেছে। চিকিৎসকরা টিউমারটি নারীর পেট থেকে অপসারণ করে আকৃতি অনেক বড় দেখে সেটি ওজন দিয়ে দেখেন প্রায় ২৫ কেজি। টিউমার অপসারণ করার পর ওই নারী সুস্থ্ রয়েছেন বলে চিকিৎসকরা জানান।

গত মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা রাজিয়া আক্তার (৪৬) নামে এক রোগীর অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে টিউমারটি অপসারণ করেন।
হাসপাতালের গাইনী বিভাগ থে‌কে জানা যায়, জেলার ঘাটাইল উপজেলার মনোহরা গ্রামের গৃহবধূ রাজিয়া আক্তার গত ১ ফেব্রুয়ারি অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন। এ সময় তার ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং ওভারিয়ান (ডিম্বাশয়ে) টিউমার ধরা প‌ড়ে।"
ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ থাকায় তখন অপারেশন করা যাচ্ছিল না। কিছু‌দিন পর রোগ নিয়ন্ত্রণে আসার পর মঙ্গলবার হাসপাতা‌লের চি‌কিৎসক রেহানা পারভীনের অধীনে ওই নারীর অস্ত্রোপচা‌রের মাধ্যমে টিউমারটি অপসারণ করা হয়।;
বর্তমা‌নে রাজিয়া আক্তারের শারীরিক অবস্থা ভালো ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছেন চি‌কিৎসক। ২৫ কেজি ওজনের টিউমার‌টি দেখ‌তে হাসপাতা‌লে ভিড় ক‌রেন রোগী‌র সঙ্গে আসা স্বজনরা।'

লেবেলসমূহ:

২৩ মার্চ, ২০২১

মির্জাপুরে 'ছুরিকাঘাতে, যুবক খুন।


মির্জাপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে খুন হলেন আলিমুল মোল্লা(৩২) নামের এক যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌর এলাকার যমুনা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার (প্রাঃ) হাসপাতালের সামনে।

জানা গেছে, নিহত আলিমুল মোল্লা(৩২) পৌর সদরের বাইমহাটি এলাকার সেলিম মোল্লার ছেলে। সে পেশায় মির্জাপুর পৌরসভার এক জন পরিচ্ছন্নকর্মী ছিলেন বলে তার পরিবার জানায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বেলা ১১টার দিকে অন্য এলাকার এক দম্পতি রাস্তায় ধস্তাধস্তি করে। এক পর্যায়ে এলাকার কিছু লোক জন তাদের থামাতে এগিয়ে যায়। এসময় একই গ্রামের আমান উল্লাহ’র ছেলে অভিযুক্ত ছাব্বির (৩৫) যমুনা জেনারেল হাসপাতালের দারোয়ান ডিউটিরত থাকাবস্থায় ঘটনাস্থল গিয়ে কথা বলার এক পর্যায়ে তাদের দু’জনের মধ্যে বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়।

পরে ছাব্বির উত্তেজিত হয়ে নিচে অবস্থিত চায়ের দোকান থেকে একটি ছুরি নিয়ে আলিমুলের পেটে ছুরি মারে। পরে স্থানীয়রা তাকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে পাশের যমুনা জেনারেল হাসপাতাল এবং পরবর্তীতে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করে। কুমুদিনী থেকে তাকে ঢাকা নেয়ার পথে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক নুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ছাব্বির নামের এক ব্যক্তি আলিমুল নামের পরিচ্ছন্নকর্মীকে ছুরিকাঘাত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে জানতে পেরেছি। এ ব্যাপারে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। আমরা অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা করছি।

লেবেলসমূহ:

৭ মার্চ, ২০২১

স্ত্রীকে সাত 'টুকরা, করে কাজে যান স্বামী।


গাজীপুর সদর উপজেলার জয়দেবপুর থানাধীন মনিপুর এলাকায় আজ রোববার সকাল থেকেই দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল। কৌতূহলী হয়ে বিকেলের দিকে স্থানীয় বাড়ির মালিক জাকির হোসেনসহ কয়েকজন একটি ব্যাগ খুঁজে পান। ব্যাগ খুলে বের হয় এক নারীর খণ্ডিত মস্তক। জাকির চিনতে পারেন, ওই নারী তাঁর বাড়িরই ভাড়াটে পোশাককর্মী রেহেনা আক্তার (২০)। কিন্তু তাঁর স্বামী জুয়েল আহমেদকে (২৫) গতকাল সকালেও কারখানায় যেতে দেখা গেছে।' ওই সময়ই রেহেনার স্বামী জুয়েল কারখানা থেকে ফিরে এলে স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করেন। পুলিশকেও ডাকা হয়। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেই জুয়েল জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে ঝগড়ার একপর্যায়ে স্ত্রীকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করেন তিনি।' এরপর বঁটি দিয়ে সাত টুকরা করে কয়েকটি ব্যাগে ভরে কয়েক জায়গায় ফেলে দেন। তাঁর দেখানোমতে মৃতদেহের অন্য টুকরাগুলো আশপাশের জঙ্গল থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।"



নিহত রেহেনা সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থানার ইসলামপুর গ্রামের আবদুল মালেকের মেয়ে। তাঁর স্বামী (গ্রেপ্তার) জুয়েলও একই গ্রামের বাছেদ মিয়ার ছেলে। তাঁরা স্বামী-স্ত্রী দুজনই পোশাক কারখানার শ্রমিক। এক বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। তখন থেকে তাঁরা মনিপুর এলাকায় ঘর ভাড়া করে থাকছিলেন। এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁদের মধ্যে কলহ চলছিল। প্রায়ই ঝগড়া–বিবাদ হতো। তুচ্ছ ঘটনায় জুয়েল স্ত্রীকে মারধর করতেন বলে জানান পাশের অন্য ভাড়াটিয়ারা। জয়দেবপুর থানার উপপরিদর্শক রাকিবুল ইসলাম জানান, স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামী জুয়েল গত দুই রাত ওই ঘরেই অবস্থান করছিলেন।, সেখান থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। লাশের টুকরাগুলো উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।; ওই ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। গ্রেপ্তারের পর জুয়েল তাঁর স্ত্রীকে সাত টুকরা করে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।'

লেবেলসমূহ:

৪ মার্চ, ২০২১

ছেলের প্রেমিকাকে রাত জে'গে পাহারা' দিচ্ছেন বাবা।


বিয়ের দাবি নিয়ে প্রেমিকাকে আসতে দেখেই বাড়ি ছেড়ে নিরুদ্দেশ হয়েছে প্রেমিক আকাশ।

এদিকে প্রেমিকা ময়না খাতুন আত্মহত্যা করে পুরো পরিবারকে ফাঁসিয়ে দিতে পারে এই ভয়ে আকাশের বাবা জহুরুল ইসলাম রাত জেগে পাহারা দিয়েছেন ছেলের প্রেমিকাকে।;


ঘটনাটি ঘটেছে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ছাতিয়ান হাওড়াপাড়া এলাকায়।

বুধবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে রাতভর বাড়ির সামনে একটি গাছের নিচে ময়নাকে পাহারা দিয়েছেন জহুরুল ইসলাম।

বিয়ের দাবি নিয়ে বাওট গ্রামের দিনমজুর আব্দুল বারির মেয়ে স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ময়না গত মঙ্গলবার সকালে তার প্রেমিক পার্শ্ববর্তী ছাতিয়ান গ্রামের হাওড়াপাড়া এলাকার আকাশের বাড়িতে এসে ওঠে।
 
ময়না খাতুন বলে, আমার সঙ্গে আকাশের প্রেমের সম্পর্ক এক বছর।,

সে মোবাইল ফোনে সব সময় আমার আপু, মা-বাবা সবার সঙ্গে কথা বলে। আজ থেকে ১০ দিন আগে আমাদের বাড়িতে গিয়ে আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত ছিল।

এসময় পাড়ার লোকজন আমাদের ধরে ফেলে। গ্রামবাসী এবং আমাদের উভয়ের পরিবারকে বিয়ের সম্মতি দিয়ে আকাশ চলে আসে। এরপর থেকে আকাশ তার ফোন বন্ধ রেখেছে। তাই আমি চলে এসেছি তার বাড়িতে। আকাশের সঙ্গে আমার বিয়ে না হলে আত্মহত্যা ছাড়া আমার কোনো উপায় থাকবে না।

প্রেমিক আকাশের বাবা জহুরুল ইসলাম বলেন, মেয়েকে আমার বাড়িতে আসতে দেখেই সে (আকাশ) পালিয়ে গেছে। আজ দুই দিন তার কোনো খোঁজ নেই। ছেলেকে হাতের কাছে পেলে এই মেয়েকেই তার হাতে তুলে দিয়ে আমি বাঁচতাম। তার পলাতক ছেলেকে খুঁজতে মেয়ের বাবা এবং উপস্থিত সাংবাদিকদেরও অনুরোধ জানান তিনি।',


স্থানীয় মাতব্বর শহিদুল ইসলাম বলেন, ময়না ও আকাশকে অনৈতিক কাজ করা অবস্থায় ধরে ফেলেছিল প্রতিবেশীরা। আমরা উভয়ের পরিবারের কর্তা ব্যক্তিদের নিয়ে এক জায়গায় বসে সমাধানের চেষ্টা করেছি। কিন্তু সেটাতে ব্যর্থ হয়েছি। আমরা দুজনের অভিভাবকদের কাছে তাদের তুলে দিই।

ছাতিয়ান গ্রামের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান জানান, দুই দিন ধরে মেয়েটি ছেলের বাড়িতে অনশন করছে। এসব ঘটনার কারণে আজ সামাজিক অবক্ষয় চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিষয়টি নিয়ে রাত পোহালেই বসা হবে বলে জানান তিনি।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রহমান জানান, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে বলে সুরাহা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  তারপরও সমাধান না হলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  




লেবেলসমূহ: , , , ,

টাঙ্গাইলের ২০১ গম্বুজ মসজিদে আসছে বিশ্বের শীর্ষ ক্বারীগন।


টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামে নির্মাণাধীন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গম্বুজের মসজিদ ২০১ গম্বুজ মসজিদে আসছে 
বিশ্বের শীর্ষ ক্বারীগন ।;
জানা গেছে আগামী শুক্রবার (০৫ মার্চ ) জুমার বয়ান করবেন মিশর থেকে আগত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শীর্ষ ক্বারী ড. শায়েখ মাহমুদ তুখী, এছাড়াও পবিত্র কোরআন শরীফ তিলাওয়াত করবেন, ক্বারী শায়েখ সাঈদ তুসী( ইরান) ক্বারী শায়েখ সাইয়্যেদ ঈদ (মিশর)ক্বারী শায়েখ আব্দুল কাবির হায়দারী (আফগানিস্তান)


২০১ গম্বুজ মসজিদ জুমার নামাজের খুতবা প্রদান ও ইমামতি করবেন ক্বারী হাফেজ মাওলানা শায়েখ সাদ সাইফুল্লাহ মাদানী (ঢাকা)
উল্লেখ্য, নির্মাণাধীন থাকায় এখনো ২০১ গম্বুজ মসজিদে ওয়াক্ত নামাজ শুরু হয়নি, মসজিদের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসা হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের অনুরোধে অস্থায়ীভাবে জুমার নামাজ আদায় করা হয় ।',
দেশের শীর্ষ আলেমগণ একেক জুমায় একেকজন খুৎবা দেন ও ইমামতি করেন ।
২০১৩ সালের জানুয়ারিতে এই মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। মসজিদটি বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে নির্মিত হচ্ছে। এ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তার মা রিজিয়া খাতুন, নির্মাণ কাজ এখনো চলছে। পৃথিবীর ইতিহাসে কখনো এত সংখ্যক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ তৈরি হয়নি। মসজিদের ছাদে ৮১ ফুট উচ্চতার একটি গম্বুজ রয়েছে। বড় গম্বুজের চারপাশে ছোট ছোট গম্বুজ আছে ২০০টি। প্রতিটির উচ্চতা ১৭ ফুট।' মূল মসজিদের চার কোণায় রয়েছে ৪টি মিনার। প্রতিটির উচ্চতা ১০১ ফুট। পাশাপশি আরো চারটি মিনার আছে ৮১ ফুট উচ্চতার। সবচেয়ে উঁচু মিনারটি মসজিদের পাশেই অবস্থিত। এর উচ্চতা ৪৫১ ফুট। ১৪৪ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৪৪ ফুট প্রস্থের দ্বিতল এই মসজিদে একসঙ্গে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। মসজিদের দেয়ালের টাইলসে অঙ্কিত রয়েছে পূর্ণ পবিত্র কোরআন শরিফ। যে কেউ বসে বা দাঁড়িয়ে মসজিদের দেয়ালে অঙ্কিত কোরআন শরিফ পড়তে পারবেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান জানানঃ আল্লাহ ঘর মসজিদের সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশ বিদেশ থেকে ধর্মপ্রাণ মানুষ ছুটে আসছে, এতে বোঝা যায় মানুষ এখন মসজিদমুখী হচ্ছে ‌ ।'

মসজিদটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে দেশের সকল মানুষের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা ।;

লেবেলসমূহ: ,

৩ মার্চ, ২০২১

দাদার বিরুদ্ধে নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগ




মোঃ আল-আমিন ভোলা প্রতিনিধি : 

ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের কন্দ্রকপুর গ্রামে প্রতিবেশী দাদার বিরুদ্ধে ৮ বছরের নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। রক্তাক্ত অবস্থায় ধর্ষণের শিকার ৪র্থ শ্রেণীর ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ।,

ধর্ষণের শিকার ছাত্রী রাজাপুর ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ডের আব্দুল মাকেল জমাদ্দার বাড়ির দরজায় কারিনিয়া নুরানি মাদ্রাসার ৪র্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী।,

বুধবার (৩ মার্চ) দুপুরে রাজাপুর ৬নং ওয়ার্ডের মোখলেস খাঁন বাড়ীতে এই ঘটনা ঘটে।,

অভিযুক্ত রাজাপুর ইউনিয়নের জনতাবাজারের ব্যবসায়ী ও মীরা বাড়ির খলিল মীরার ছেলে ছালাউদ্দিন মীর (৪৫)।;

ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর চাচি বলেন, আজ দুপুরে ছালাউদ্দিন মীর আমাদের বাসায় এসে পানি চেয়ে চলে গেছে। কিছুক্ষণ পর এসে দেখি আমার দেবরের মেয়ে কাকি কাকি করে চিৎকার দিচ্ছে, এসে দেখি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে আর ছালাউদ্দিন মীর দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছে।
আমার দেবরের মেয়ের এই অবস্থা দেখে আমি অজ্ঞান হয়ে গেছি।'

শিশুটির দাদি জানান, আমি বাড়ি ছিলুম না দুপুরে স্থানীয়দের ডাক চিৎকার শুনে বাড়ি এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তার নাতনীকে দেখি। পরে এলাকার লোকজন এসে পুলিশকে জানালে পুলিশ রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য ছালাম জমাদার বলেন, আমি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে পুলিশকে জানিয়েছি।

ভোলা সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন, মুমূর্ষ অবস্থায় শিশুটিকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। বর্তমানে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।'

ভোলা সদর থানার এসআই রঞ্জিত সরকার বলেন, রাজাপুরে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে শুনতে পেয়ে আমরা সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ছুটে আসি। এখানে এসে আমরা শিশুটিকে দেখতে পাই। এবং ডাক্তারের সাথে কথা বলে জানতে পাড়ি সে চিকিৎসারত আছে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি।'

এই বিষয়ে ভোলা সদর থানার ওসি এনায়েত হোসেন বলেন, অভিযুক্ত সালাউদ্দিনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। পুলিশ এখনো সেই এলাকায় আছে এবং ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসার ছাত্রীকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।;

লেবেলসমূহ:

চাঁপাইনবাবগঞ্জে' এক 'ছাত্রী,র আত্মহত্যা




চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের পুলপাড়া স্লুইচ গেট এলাকায় এক ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। বুধবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে নিজ শয়ন কক্ষে আত্মহত্যা করে।

আত্মহত্যাকারী ছাত্রী হল-চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার বেলতলা (শিবতলা) এলাকার মোঃ সেন্টু আলীর মেয়ে শিখা খাতুন। শিখা নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের অনার্স ১ম বর্ষের ছাত্রী।;,
নিহত ছাত্রীর পরিবার ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন হতে শিখা অসংলগ্ন কথা বার্তা বলে আসছিল। বুধবার সকাল ১০ টার দিকে তার মা মেয়েকে তার শয়ন কক্ষের ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে থাকতে দেখে চিৎকার দেয়। মার চিৎকারে প্রতিবেশী ছুটে আসে এবং সদর মডেল থানায় খবর দেয়। সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ‍উদ্ধার করে আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।,
সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) কবির হোসেন আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। আত্মহত্যার কারণ এখনো জানতে পারেন নি। এঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে বলে জানান ওসি তদন্ত কবির।;


লেবেলসমূহ: , , , , , ,

মুক্তি পাচ্ছে নায়িকা দীঘির প্রথম সিনেমা।




মারুফ সরকার, বিনোদন প্রতিনিধি : শিশুশিল্পী হিসেবে পর্দা কাঁপিয়েছেন। সারা বাংলায় ছড়িয়েছে তার নাম। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও। এবার তিনি আসছেন নায়িকা হয়ে। বলছি সিনেমার মিষ্টি মেয়ে দীঘির কথা।,

মুক্তি পেতে যাচ্ছে নায়িকা হিসেবে তার প্রথম সিনেমা। শাপলা মিডিয়ার 'টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই' সিনেমা দিয়েই অভিষিক্ত হচ্ছেন সুব্রত'-দোয়েল দম্পতির কন্যা।'

ছবিটির তত্ত্বাবধানে থাকা চলচ্চিত্র পরিচালক শামীম আহমেদ রনি আজ সোমবার (১ মার্চ) ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে জানিয়েছেন, 'টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই' সিনেমাটি ১২ মার্চ সারাদেশের সিনেমা হলে মুক্তি পাবে।;

তিনি জানান, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে আসছে।

নিজের প্রথম সিনেমা মুক্তির খবরে উচ্ছ্বসিত দীঘি। তিনি বলেন, ‘অনেক উত্তেজনা কাজ করছে। টেনশনও হচ্ছে। জানি না দর্শক কীভাবে গ্রহণ করবেন আমাকে। তবে প্রত্যাশা করছি ভালো একটি সিনেমা উপহার দিতে পারবো।’ এ সিনেমায় দীঘির বিপরীতে দেখা যাবে নবাগত শান্ত খানকে।


মারুফ সরকার ,
বিনোদন প্রতিনিধি
তারিখ -০৩-০৩-২০২১
মোবাইল -০১৭৪৩৩৫৯৭৪১

লেবেলসমূহ: