৩০ এপ্রি, ২০২১

সোমবার পর্যন্ত খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা চলবে



রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত স্থিতিশীল আছে। তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা আগামী সোমবার পর্যন্ত চলবে। এমনটাই জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের অন্যতম সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।


আজ শুক্রবার বিকেলে মুঠোফোনে জাহিদ হোসেন বলেন, আজ এবং কাল শনিবার আরও কয়েকটি পরীক্ষা করাতে হবে। সব পরীক্ষা কবে নাগাদ শেষ হতে পারে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আগামী রবি ও সোমবার পর্যন্ত লাগতে পারে। গত পরশু থেকে খালেদা জিয়ার পুরোনো ওষুধের সঙ্গে নতুন কিছু ওষুধ যুক্ত করা হয়েছে বলেও জানান এই চিকিৎসক।





খালেদা জিয়া বাসায় ফিরবেন কবে, জানতে চাইলে সুনির্দিষ্ট করে কোনো জবাব দেননি জাহিদ হোসেন। তবে তিনি বলেন, বাসায় ফেরার বিষয়টি চিকিৎসকদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। সব পরীক্ষা শেষ হলে বোঝা যাবে।


এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত খালেদা জিয়াকে ভর্তি করা হয়। ১০ এপ্রিল করোনাভাইরাসের নমুনা জমা দেওয়া হলে ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার পজিটিভ আসে। এরপর ২৫ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় নমুনা জমা দেওয়ার পর আবারও ফল পজিটিভ আসে।


এভারকেয়ার হাসপাতালে নন–কোভিড জোনে চিকিৎসা নিচ্ছেন খালেদা জিয়া। জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত এক চিকিৎসক প্রথম আলোকে বলেন, বিজ্ঞানসম্মত উপায় হচ্ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী দুই সপ্তাহ পার করার পর যদি কোনো উপসর্গ না থাকে, তাহলে তাঁকে আর পজিটিভ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না।


লেবেলসমূহ:

মামুনুলের কথিত স্ত্রী ঝর্ণা স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিভিল সার্জন অফিসে


নিজস্ব প্রতিবেদক : হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল হকের দাবি করা কথিত স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সোনারগাঁ সিভিল সার্জন অফিসে নেওয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম। এর আগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামুনুলের বিরুদ্ধে মামলা করেন ঝর্ণা।


ওসি বলেন, মামলার পর ঝর্ণার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সোনারগাঁ সিভিল সার্জন অফিসে নেওয়া হয়েছে। সেখানে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম আরম্ভ হয়েছে।


মামুনুল হক দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করলেও মামলায় জান্নাত নিজেকে মামুনুল হকের স্ত্রী বলেননি। মামলার এজাহারে তিনি বলেছেন, ‘বিয়ের প্রলোভন ও অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে মামুনুল হক আমার সঙ্গে সম্পর্ক করেছেন। কিন্তু বিয়ের কথা বললে মামুনুল করছি, করব বলে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। ২০১৮ সাল থেকে ঘোরাঘুরির কথা বলে মামুনুল বিভিন্ন হোটেল, রিসোর্টে আমাকে নিয়ে যান।


মামুনুলের সঙ্গে পরিচয় প্রসঙ্গে জান্নাত বলেন, ‘২০০৫ সালে তার স্বামী মাওলানা শহীদুল ইসলামের মাধ্যমে মামুনুল হকের সঙ্গে পরিচয় হয়। স্বামীর বন্ধু হওয়ায় আমাদের বাড়িতে মামুনুলের অবাধ যাতায়াত ছিল। মামুনুলের সঙ্গে পরিচয়ের আগে আমরা সুখে–শান্তিতে বসবাস করছিলাম। আমাদের স্বামী-স্ত্রীর মতানৈক্যের মধ্যে প্রবেশ করে মামুনুল হক শহীদুল ও আমার মধ্যে দূরত্ব তৈরি করতে থাকেন। মামুনুলের কারণে আমাদের দাম্পত্য জীবন চরমভাবে বিষিয়ে ওঠে। সাংসারিক এই টানাপোড়েনে একপর্যায়ে মামনুলের পরামর্শে বিবাহবিচ্ছেদ হয়।


অভিযোগে জান্নাত বলেন, ‘বিচ্ছেদের পর তিনি সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পারিবারিকভাবে অসহায় হয়ে পড়েন। এ সময় মামুনুল আমাকে খুলনা থেকে ঢাকায় আসার জন্য বলেন। আমি ঢাকায় চলে আসি। মামুনুল আমাকে তার অনুসারীদের বাসায় রাখেন। সেখানে নানাভাবে আমাকে প্রস্তাব দেন। একপর্যায়ে পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারণে তার প্রলোভনে পা দিই। এরপর তিনি উত্তর ধানমন্ডির নর্থ সার্কুলার রোডের একটি বাসায় আমাকে সাবলেট রাখেন। একটি বিউটি পারলারে কাজের ব্যবস্থা করে দেন। ঢাকায় থাকার খরচ মামুনুলই দিচ্ছিলেন।


জান্নাত আরা ঝর্ণা অভিযোগে বলেন, ‘৩ এপ্রিল সোনারগাঁয়ের রয়্যাল রিসোর্টে ঘোরাঘুরির কথা বলে মামুনুল হক নিয়ে যান। সেখানে অবস্থানকালে কিছু মানুষ আমাদের আটক করে ফেলে। পরে মামুনুল হকের অনুসারীরা রিসোর্টে হামলা করে আমাদের নিয়ে যায়। কিন্তু মামুনুল আমাকে নিজের বাসায় ফিরতে না দিয়ে পরিচিত একজনের বাসায় অবৈধভাবে আটকে রাখেন। কারও সঙ্গে যোগাযোগও করতে দেননি। পরে কৌশলে আমি আমার বড় ছেলেকে আমার দুরবস্থার সব কথা জানাই এবং আমাকে বন্দীদশা থেকে উদ্ধারের জন্য আইনের আশ্রয় নিতে বলি। পরে ডিবি পুলিশ আমাকে উদ্ধার করলে জানতে পারি, আমার বাবা রাজধানীর কলাবাগান থানায় আমাকে উদ্ধারের জন্য একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। পুলিশ আমাকে উদ্ধারের পর বাবার জিম্মায় দেয়। সেখানে আমি আমার পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে পরামর্শ করায় অভিযোগ দায়ের করতে বিলম্ব হয়।


জান্নাত আরা ঝর্ণার বাবা ওলিয়ার রহমানকে গত ২৪ এপ্রিল জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয় ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশ। আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর থেকে তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। এরপর ২৬ এপ্রিল মেয়েকে উদ্ধারে পুলিশের সহায়তায় চেয়ে কলাবাগান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তিনি। পরদিন মোহাম্মদপুরের একটি বাসা থেকে ঝর্নাকে উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ। ঝর্না উদ্ধার হওয়ার তিন দিনের মাথায় এই মামলা করলেন।



উল্লেখ্য, মোদিবিরোধী আন্দোলনের নামে রাজধানী ঢাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হাটহাজারীতে বেপরোয়া তাণ্ডবের পর রিসোর্টকাণ্ডে মামুনুল হককে নিয়ে দেশজুড়ে ব্যপক তোলপাড় শুরু হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাণ্ডবের অভিযোগে একে একে হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতাদের গ্রেফতার করতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় মাওলানা মামুনুল হককে গত ১৮ এপ্রিল মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ২০২০ সালে দায়ের হওয়া মোহাম্মদপুর থানার একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পল্টন ও মতিঝিল থানার পৃথক দুটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় তাকে। ওই দুই মামলাতে আবার তাকে মোট সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।


লেবেলসমূহ:

আনভীরের কঠিন শাস্তির দাবি জাতীয় মানবাধিকার সমিতির

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা মেয়ে মোসারাত জাহান মুনিয়ার আত্মহত্যার প্ররোচনার আসামি দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের কঠিন শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতি।


বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, মহাসচিব এ্যাড. সাইফুল ইসলাম সেকুল ও সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন আল আমিন এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান।দপ্তর উপ কমিটির সদস্য মারুফ সরকারের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। 


নেতৃবৃন্দ বলেন, মৃত্যুর তিনদিন অতিবাহিত হয়েছে গতকাল। এর তার বোন বাদি হয়ে একটি আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা দায়ের করেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেই মামলার আসামি আটক হয়নি। এখন অনেকেই মেয়েটির চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এটা প্রকৃত দোষীদের আড়াল করার ষড়যন্ত্র নয়তো? এদিকে যেয় অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে সেই অডিও রেকর্ড তদন্তকারী কর্মকর্তা গ্রহণ করে নি শুনেছি।


নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, আমরা জেনেছি মুনিয়ার বাসার তালাটি ছিল অটো, তার হাতে ও গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এটা একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে। নেতৃবৃন্দ এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করে প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।



মারুফ সরকার 

দপ্তর উপ  কমিটির সদস্য 

বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতি

তারিখ -৩০-৪-২০২১

মোবাইল -০১৭৪৩৩৫৯৭৪১

লেবেলসমূহ:

ব্যবসায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চিত্রনায়িকা পলি



মারুফ সরকার ,বিনোদন প্রতিনিধি : ঢাকাই সিনেমার একসময়ের আলোচিত নায়িকা পলি। দীর্ঘদিন ধরে পর্দার আড়ালেই রয়েছেন তিনি। তাকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছে ২০১২ সালে ‘এক নম্বর আসামী’ সিনেমায়। পলি এখন কোথায়, কী করছেন এমনই নানা প্রশ্ন সিনেমাপ্রেমীদের মনে। খোঁজ নিতে গিয়ে জানা গেল, সিনেমা ছেড়ে নায়িকা এখন ব্যবসায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।


পলি বলেন, ‘বর্তমানে স্বামী-সন্তানের সঙ্গে গুলশানে থাকছি। এগ্রো বিজনেস করছি। পোল্ট্রি ফিডের একটা কোম্পানি আছে আমাদের। ওই কোম্পানির ডিরেক্টর আমি। পাশাপাশি একটা বুটিক হাউজও পরিচালনা করছি।’


তিনি আরও বলেন, ‘সিনেমায় প্রতিষ্ঠা পেতে অনেক পরিশ্রম করেছি। অনেক সিনেমা প্রযোজনাও করেছি। রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে শুটিং করতে হয়েছে। একটা চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। এত কষ্ট করেছি, সেটার ফলাফল ওইভাবে পাইনি। যদি আয়ের দিক দিয়ে হিসেব করি তখন আমার কষ্ট হয়েছে বেশি, কিন্তু আয় হয়েছে কম। এখন আমার কষ্ট কম, আয় হচ্ছে বেশি। এক্ষেত্রে আমি বলতে পারি আগের তুলনায় ভালো আছি।’একসময়ের জনপ্রিয় এই নায়িকা বলেন, ‘সিনেমা না করলেও এখনো নায়িকা হিসেবে একটা আলাদা সম্মান পাই। এজন্য গর্ববোধ হয়। বাংলাদেশে ১০০ পপুলার নায়িকা থাকলে আমি নিজেকে তাদের একজন মনে করি।’



মারুফ সরকার 

বিনোদন প্রতিনিধি 

তারিখ -৩০-৪-২০২১

মোবাইল -০১৭৪৩৩৫৯৭৪১

লেবেলসমূহ:

শহীদ, গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের বিএনপি’র ঈদ উপহার বিতরন



মারুফ সরকার ,ঢাকা : বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত গুম হয়েছে ৬০১ জন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে ২ হাজার ৮৭০ জন। এত যে মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে, এর জবাব অবশ্যই এই আওয়ামী লীগ সরকারকে দিতে হবে।

যারা গুম নিখোঁজ হয়ে গেছে তাদের পরিবারের কাছে, গোটা জাতির কাছে তাদের জবাব দিতে হবে। শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, যে সরকার জোর করে ক্ষমতায় থাকে তাকে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য এসমস্ত কৌশল নিতে হয়। কারণ জনগণের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক থাকে না। যেহেতু তারা জনবিচ্ছিন্ন থাকে সে কারণে তাদের এই হত্যা, গুম নির্যাতনের আশ্রয় নিতে হয়। এটা আজকের বিষয় নয়, বহু আগে থেকেই চলে আসছে। ফ্যাসিস্ট কারা- যারা নির্বাচিত হয়ে আসে, আসার পরে তারা ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য এই কৌশলগুলো অবলম্বন করেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা যে উদ্দেশ্যে এই রাজনীতি, আন্দোলন সংগ্রাম করছি, যে কারণে আমাদের এই ছেলেরা মাঠ থেকে হারিয়ে গেলো, আমরা একটা গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আমাদের যে অধিকারগুলো আজকে আওয়ামী লীগের দানব, ফ্যাসিস্ট সরকার সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে কেড়ে নিয়েছে সেই শক্তিকে সরিয়ে সত্যিকার অর্থে একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। এজন্যই এত ত্যাগ, এত অশ্রু, এত ব্যাথা, এত বেদনা।


তিনি বলেন, আমরা প্রায় প্রতিবছর যখন আপনাদের সামনে উপস্থিত হই, তখন নিজেদের মাঝে মাঝে অপরাধী মনে হয়। এজন্য যে আমরা এখন পর্যন্ত এই অবস্থার পরিবর্তন করতে পারিনি। একটি ভয়াবহ ফ্যাসিস্ট শক্তি আমাদের সমস্ত অর্জনগুলোকে ধ্বংস করে দিয়ে, মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা নষ্ট করে দিয়ে, আমাদের স্বপ্নগুলোকে ভেঙে চুরমার করে দিয়ে একটা দানবীয় শক্তি হয়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, মানবাধিকার সম্পাদক অ্যাডভোকেট আসাদ, দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান সালেহ প্রিন্স, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল হক প্রমুখ।  


মারুফ সরকার 
ঢাকা 
তারিখ -৩০-৪-২০২১
মোবাইল -০১৭৪৩৩৫৯৭৪১

লেবেলসমূহ:

২৯ এপ্রি, ২০২১

ভারতে জরুরি ত্রাণ পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ


বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস ভারতে এখন মৃত্যু মিছিল চলছে। চিকিৎসার অভাবে মারা যাচ্ছে মানুষ। সেখানে এখন পর্যন্ত দুই লক্ষাধিক মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে।


ভারতীয়দের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। 



এর মধ্যে রয়েছে ইনজেক্টেবল অ্যান্টি-ভাইরাল, ওরাল অ্যান্টি-ভাইরাল, ৩০ হাজার পিপিই কিট এবং কয়েক হাজার জিংক, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ট্যাবলেটের প্রায় ১০ হাজার শিশি।

আজ বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

সাদেক সিদ্দিকী’র পরিচালনায় শিপন-সুবাহ্



মারুফ সরকার ,বিনোদন প্রতিনিধি : চিত্রনায়ক শিপন মিত্র ও চিত্রনায়িকা সুবাহ্ প্রথমবার একসঙ্গে একটি সিনেমাতে অভিনয় করেছিলেন। এরইমধ্যে সেই সিনেমার কাজও তারা শেষ করেছেন। এবার তারা দু’জন প্রথমবার একসঙ্গে একটি ঈদ নাটকে অভিনয় করেছেন। নাটকের নাম ‘কারাতে বউ চাই’। নাটকটি নির্মাণ করেছেন সাদেক সিদ্দিকী, রচনা করেছেন মির্জা রাকিব। এরইমধ্যে নাটকটির শুটিং শেষে প্রচারের চূড়ান্ত তারিখ ও সময় নির্ধারণও করা হয়েছে। আগামী ঈদে চতুর্থদিন সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সেদিন রাত ৮.১০ মিনিটে নাটকটি প্রচার হবে বৈশাখী টিভিতে। নাটকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে শিপন মিত্র বলেন,‘ এর আগেও আমি শ্রদ্ধেয় সাদেক সিদ্দিকী ভাইয়ের বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেছি। তার গল্প নির্বাচন এবং তার নির্দেশনায় আমার ভীষণ পছন্দের। শুটিং চলাকালীন সময়ে আমরা কাজের ফাঁকে আমরা আড্ডা দেই সত্যি। কিন্তু যখন আবার কাজ করি তখন যার যার চরিত্রে বেশ সিরিয়াসলিই কাজ করি আমরা। অভিনয়ে সুবাহ্ আগের চেয়ে ভালো করেছে। এই নাটকটি কমেডি ঘরানার নাটক হলেও একটা ম্যাসেজ আছে । আশা করছি ভালোলাগবে।’  সুবাহ্ বলেন,‘ কারাতে বউ চাই, আমার অভিনীত দ্বিতীয় নাটক। এই নাটকে কাজ করার অভিজ্ঞতাটা সত্যিই অন্যরকম ছিলো। কারণ গল্পটাই ভিন্ন ধাঁচের। কারাতের উপরই নাটকটির গল্প। আমি ধন্যবাদ জানাই সাদেক সিদ্দিকী ভাইকে এমন মজার একটি গল্পে আমাকে নির্বাচিত করার জন্য। নাটকে যারা কাজ করেছেন প্রত্যেকেই ভীষণ সযোগিতা করেছেন। যে কারণে নাটকটি নিয়ে আমি ভীষণ আশাবাদী।’

এদিকে মুঠোফোনে সুবাহ্ জানান, তিনি লকডাউনের আগে থেকেই রংপুরে আছেন। রংপুরের টেকনিক্যালের পাশেই তাদের বাসা। সেখানে তিনি বাবা, মা, ভাই, বোনের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। দুই বছর আগে পহেলা বৈশাখে প্রয়াত সেলিম খানের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সঙ্গীতা থেকে সুবাহ্’র প্রথম মৌলিক গান ‘চল মেলায় যাইরে’ প্রকাশিত হয়। ২০১৯ সালে প্লে-ব্যাক করতে গিয়েই তার নায়িকা হয়ে উঠা। শিপন মিত্র ও সুবাহ্’ এরইমধ্যে প্রায় শেষ করেছেন রফিক শিকদার পরিচালিত ‘বসন্ত বিকেল’ সিনেমাটি। এছাড়াও সুবাহ্ কাজ করছেন আব্দুল মান্নান পরিচালিত ‘মন বসেছে পড়ার টেবিলে’ সিনেমায়। তার অভিনীত প্রথম নাটক ‘ওল্ড ইজ গোল্ড’। এটি নির্মাণ করেছেন জয় সরকার এবং এতে সুবাহ্’র বিপরীতে অভিনয় করেছেন জাহিদ হাসান। সুবাহ্ আরমান আলিফের ‘ঠিকানা দেবো না’ গানটিতেও মডেল হিসেবে কাজ করেছেন। এদিকে শিপন এরইমধ্যে সাদেক সিদ্দিকীলই পরিচালণায় ‘প্রেমবাজ’ নাটকের কাজ শেষ করেছেন। এতে তার বিপরীতে আছেন মৌমিতা মৌ। দুটি নাটকেই দুটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাগর সিদ্দিকী।


মারুফ সরকার 
বিনোদন প্রতিনিধি 
তারিখ -২৯-৪-২০২১
মোবাইল -০১৭৪৩৩৫৯৭৪১

লেবেলসমূহ:

নতুন শিক্ষাক্রম আরও এক বছর পিছিয়ে গেল


প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়নের কাজ আরও এক বছর পিছিয়ে গেল। এর ফলে আগামী বছরও নতুন শিক্ষাক্রমে বই পাবে না শিক্ষার্থীরা। এখন নতুন সিদ্ধান্ত হলো, প্রস্তাবিত নতুন শিক্ষাক্রমে ২০২২ সালে মাধ্যমিক স্তরের ১০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে পরীক্ষামূলকভাবে নতুন শিক্ষাক্রমের কাজ হবে। এরপর ২০২৩ সালে গিয়ে এই দুটি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন শিক্ষাক্রমের বই দেওয়া হবে। অন্যদিকে প্রাথমিকে আগামী বছর কেবল প্রথম শ্রেণিতে ১০০টি প্রতিষ্ঠানে নতুন শিক্ষাক্রমে পরীক্ষামূলক কাজ হবে এবং পরের বছর এই শ্রেণির সব শিক্ষার্থীর হাতে বই দেওয়া হবে। কিন্তু অন্যান্য শ্রেণিতে কী হবে, সেটি তারা আগামী বছর গিয়ে ঠিক করবে।, আজ বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেনসহ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি), মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং শিক্ষা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। সভায় উপস্থিত একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে এই তথ্য জানান। এনসিটিবির চেয়ারম্যান নারায়ন চন্দ্র সাহা প্রথম আলোকে বলেন, প্রথম, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে আগামী বছর পরীক্ষামূলকভাবে নতুন শিক্ষাক্রমে কার্যক্রম চালানোর আলোচনা হয়েছে। এখন কার্যবিবরণী লেখা হলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। প্রথমে ঘোষণা দেওয়া হয়েছেল চলতি বছর থেকে কয়েকটি শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নতুন শিক্ষাক্রমে বই পাবে। কিন্তু করোনার কারণে তা এক বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়। এরপর ঘোষণা দেওয়া হয়, আগামী বছর থেকে তা বাস্তবায়ন করা হবে। এর মধ্যে আগামী বছরের জানুয়ারিতে প্রাক-প্রাথমিক এবং প্রাথমিকের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি; মাধ্যমিকের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী বই পাওয়ার কথা ছিল। আর ২০২৩ সালে অষ্টম শ্রেণি ও ২০২৪ সালে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নতুন শিক্ষাক্রমের বই দেওয়ার কথা। এরপর উচ্চমাধ্যমিকের বই দেওয়ার কথা। শিক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তনের হাঁকডাক দিয়ে এই নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়নের এই কাজ শুরু করেছিল জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। কথা ছিল, এ মাসে শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করে তার আলোকে জুনের মধ্যে নতুন বই লেখার কাজ শেষ করা হবে। এরপর বই ছাপিয়ে আগামী বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী পাঠ্যবই দেওয়া হবে। কিন্তু এপ্রিল মাস শেষ হতে চললেও এখনো শিক্ষাক্রমের রূপরেখাই অনুমোদন করতে পারেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। অথচ গত নভেম্বরে রূপরেখাটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল এনসিটিবি। কিন্তু অনুমোদন না করে উল্টো কিছু দিন আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় পুরোনো শিক্ষাক্রম অনুযায়ী প্রাথমিক স্তরের বই ছাপতে এনসিটিবিকে নির্দেশ দেয়। এ রকম অবস্থায় আগামী বছর থেকে নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের বই দেওয়ার বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে যায়, যা আজকের সভায় বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলো। লকডাউনের কথা বলা হলেও অভিযোগ উঠেছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়হীনতা এবং এনসিটিবির মাধ্যমিক ও প্রাথমিক অধিশাখার কর্মকর্তাদের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের জন্য সমন্বিতভাবে শিক্ষাক্রম তৈরির কাজ শুরু হলেও প্রাথমিকের প্রশাসন মনে করেছে, এতে তাদের মতামতকে কম গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের কর্তৃত্বও থাকছে না। এখানে বাইরের কিছু লোকের মতামতকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, যেভাবে শিক্ষাক্রমের খসড়া রূপরেখাটি তৈরি করা হয়েছে, তা বর্তমান বাস্তবতায় মাঠপর্যায়ে প্রাথমিকের জন্য বাস্তবায়ন করাও কঠিন। এগুলো নিয়ে প্রাথমিকের প্রশাসনের কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে না বললেও ভেতরে-ভেতরে নতুন শিক্ষাক্রমের বিপক্ষে কাজ করেছেন। আবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও কাজটি ঠিকভাবে সমন্বয় করতে পারেনি। সর্বশেষ ২০১২ সালে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিকের শিক্ষাক্রম পরিমার্জন করা হয়েছিল। সাধারণত পাঁচ বছর পরপর শিক্ষাক্রম পরিমার্জন করা হয়।

লেবেলসমূহ:

টুঙ্গিপাড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধার আত্মহত্যা



রাকিব চৌধুরী, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা অজিত কুমার বিশ্বাস (৭২) আত্মহত্যা করেছেন।গত বুধবার (২৮ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে আত্মহত্যা করেন তিনি। উপজেলার ভৈরব নগর গ্রামে বসবাস করতেন তিনি। টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমুরিয়া বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক ছিলেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার নিপা বিশ্বাসের বাবা।
 
প্রতিবেশী টিটব গাইন বলেন, তিনি আমার শিক্ষক ছিলেন, স্যার দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। মানসিক হতাশা থেকে স্যার আত্মহত্যা করতে পারেন।
টুঙ্গিপাড়া থানা উপ-পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহ আলম খান বলেন, মৃতদেহের সুরতহাল করেছি। তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছি।

টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এএফএম নাসিম বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা অজিত বিশ্বাসের অসুস্থতাজনিত কারণে মস্তিষ্কের বিভ্রাট ঘটতে পারে বলে আমরা ধারণা করছি। মরদেহ তার পরিবারের আবেদনক্রমে পোস্টমর্টেম ছাড়াই হস্তান্তর করা হয়েছে। 
এ বিষয়ে টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

লেবেলসমূহ:

২৩ এপ্রি, ২০২১

মাস্ক নেই, তাই মুখে বাবুই পাখির বাসা।



ভারতে করোনাভাইরাসের প্রকোপে লন্ডভন্ড পরিস্থিতি। ভেঙে পড়েছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। এর মাঝেও থেমে নেই আয়ের পথ। অনেকেই স্বাস্থ্য বিধি মানছেন না। অনেকে আবার মানতে চেয়েও পারছেন না। তাদের মধ্যে একজন মেকালা কুরমাইয়া। মাস্ক না থাকায় বাবুই পাখির বাসা মুখে বেধে সরকারি কার্যালয়ে চলে এসেছেন তিনি।

মেকালা কুরমাইয়া ভারতের তেলেঙ্গানার এক পশুপালক। রাজ্যে মাস্ক না পরে বাইরে বের হলে দিতে হবে এক হাজার রুপি জরিমানা। কিন্তু কুরমাইয়া এতই অসহায় যে, মাস্ক কেনার সামর্থ্যও তার নেই। এদিকে জরুরি এক কাজে তাকে যেতে হবে সরকারি কার্যালয়ে। সেখানে আবার মাস্ক ছাড়া ঢোকা মানা। তাই সাত-পাঁচ না ভেবে মুখে বাবুই পাখির বাসা বেধে চলে আসেন তিনি।,

পশুপালকের এই ছবি ভাইরাল হয়েছে সামাজিকমাধ্যমে। তাই ভারতে দাবি উঠেছে যাদের মাস্ক কেনার সামর্থ্য নেই তাদের জন্য সরকারি অফিসে মাস্কের ব্যবস্থা রাখা হোক।;


লেবেলসমূহ:

স্বামীকে খাবারের সঙ্গে ইয়াবা দিতে গিয়ে স্ত্রী গ্রেপ্তার।



দিনাজপুর পুলিশ কোর্টের হাজতখানায় স্বামীকে শুকনা খাবারের সঙ্গে মাদকদ্রব্য দিতে গিয়ে ১৬টি ইয়াবাসহ স্ত্রী গ্রেপ্তার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিনাজপুর পুলিশ কোর্টের হাজতখানায় এই ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার হওয়া রুজিনা বেগম রিক্তা (২৫) পাবর্তীপুর উপজেলার সাহেবপাড়া গ্রামের মিলন রহমানের (২৭) স্ত্রী। মিলন রহমান একটি চুরি মামলার আসামি।

পুলিশ কোর্টের হাজতখানায় ইয়াবা দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে মাদক আইনে কোতয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। দিনাজপুর ডিবি পুলিশের ওসি আবু ইমাম জাফর জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় দিনাজপুর পুলিশ কোর্টে একটি চুরি মামলার আসামি মিলন রহমান (২৭) পুলিশ কোর্টের হাজতখানায় নিয়ে আসা হয়। এ সময় তার স্ত্রী রুজিনা বেগম রিক্তা শুকনা খাবার দেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে যান। হাজতখানায় ডিউটিতে থাকা পুলিশ ওই শুকনা খাবার দিতে না চাইলে রুজিনা কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক শফিকুল ইসলামের কাছে যান এবং তার স্বামীকে খাবার দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান। এ সময় শুকনা খাবারগুলো যাচাই করতে গিয়ে চিড়ার মধ্যে ১৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যাওয়া।

আবু ইমাম জাফর আরও জানান, এই ঘটনায় রুজিনাকে ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ডিবি পুলিশের এসআই আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে কোতয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। রুজিনাকে দুপুর আড়াইটায় সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইল হোসেনের আদালতে হাজির করা হয়।,


ডিবি পুলিশের সূত্রটি জানায়, রুজিনা বিচারকের কাছে স্বীকারোক্তিতে বলেছেন, তার স্বামী মিলন দীর্ঘদিন থেকে মাদক সেবন করেন। মাদক সেবন না করলে সে শারীরিকভাবে অস্থির হয়ে যান। পরে নানা ধরনের উপসর্গ তার শরীরে সৃষ্টি হয়। স্বামীর সঙ্গে বৃহস্পতিবার পুলিশ কোর্টে হাজতখানায় দেখা করলে যেখান থেকে হোক ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ করে দিতে বলে। বিচারক রুজিনার জবানবন্দি গ্রহণ করে বিকেল ৪টায় জেল হাজতে প্রেরণ করেন।,


লেবেলসমূহ:

২২ এপ্রি, ২০২১

টাঙ্গাইলে ধানক্ষেতে সেচ দেয়াকে কেন্দ্র করে কৃষক খুন।


টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ধানক্ষেতে সেচের  পানি আগে দেয়াকে কেন্দ্র করে হযরত আলী নামের এক বৃদ্ধ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার(২১ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার মঠবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ওয়াজেদ আলী নামের আরেক বৃদ্ধকে আহত অবস্থায়  আটক করেছে ধনবাড়ী থানা  পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান , স্থানীয় সেচ পাম্প থেকে নিজ নিজ জমিতে কে আগে পানি দেবে এই নিয়ে প্রতিবেশী ওয়াজেদ আলীর সঙ্গে হযরত আলীর কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা মারামারিতে রূপ নেয়। পরে ওয়াজেদ আলীর উপুর্যুপরি কিল,ঘুষি ও লাথির আঘাতে  হযরত আলী মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।


স্থানীয়রা তাকে  উদ্ধার করে  চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ অভিযুক্ত ওয়াজেদ আলীকে আটক করে। ওয়াজেদ আলী আহত হওয়ায় পুলিশ পাহারায় তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে  ধনবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক মাজাহারুল ইসলাম জানান,  সেচ পাম্প থেকে কে আগে  জমিতে পানি দেবে এই নিয়ে  ওয়াজেদ আলীর সঙ্গে হযরত আলীর কথা কাটাকাটি থেকে পর্যায়ে তা মারামারিতে রূপ নেয়। পরে ওয়াজেদ আলীর উপুর্যুপরি কিল,ঘুষি ও লাথির আঘাতে হযরত আলী মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। নিহতের মরদেহ বৃহস্পতিবার( ২২ এপ্রিল) ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।

লেবেলসমূহ:

২১ এপ্রি, ২০২১

সখীপুরে গৃহবধূকে রাতভর গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১


প্রতিদিন প্রতিবেদক : টাঙ্গাইলের সখীপুরে এক গৃহবধূ গণধর্ষনের শিকার হয়েছেন। গত মঙ্গলবার সখীপুর পৌরসভার জামতলা এলাকার একটি বাসায় আটক রেখে তিন বন্ধু মিলে রাতভর ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় বুধবার বিকেলে ওই গৃহবধূর বাবা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে সখীপুর থানায় মামলা করেছেন।

পুলিশ সিয়াম (২১) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ওই গৃহবধূর বাড়ি ঘাটাইল উপজেলায়।

পুলিশ ও গৃহবধূর বাবার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পূর্ব পরিচিত হওয়ায় ওই গৃহবধূকে সিয়াম ফোন করে সখীপুরে নিয়ে আসেন। পরে পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডে সিয়ামের চাচাত ভাইয়ের বাসায় আটক রেখে সিয়াম ও তার দুই বন্ধু জয় (২০), সুমন (২১) মিলে জোরপূর্বক রাতভর ধর্ষণ করে। বুধবার ভোরে সিয়াম মোটরসাইকেলযোগে ওই গৃহবধূকে বাড়িতে পৌঁছে দিতে যায়। এসময় গৃহবধূ অসুস্থ হয়ে পড়লে তার চিৎকারে লোকজন সিয়ামকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। আহত গৃহবধূকে প্রথমে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই গৃহবধূ দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে তার বাবা জানান।

সখীপুর থানার ওসি (তদন্ত) লুৎফুল কবির বলেন, এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

লেবেলসমূহ:

জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা।


চলতি বছর ফিতরা জনপ্রতি সর্বোচ্চ ২ হাজার ৩০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ বুধবার জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির এক ভার্চুয়াল সভায় এই হার নির্ধারণ করা হয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, ইসলামী শরীয়াহ মতে গম, আটা, যব, কিসমিস, খেজুর ও পনির ইত্যাদি পণ্যগুলোর যেকোনো একটি দিয়ে ফিতরা প্রদান করা যায়। উন্নতমানের গম বা আটা দিয়ে ফিতরা আদায় করলে অর্ধ সা’ বা ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ৭০ টাকা প্রদান করতে হবে, যব দিয়ে আদায় করলে এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২৮০ টাকা, কিসমিস দিয়ে আদায় করলে এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ১ হাজার ৩২০ টাকা, খেজুর দিয়ে আদায় করলে এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ১ হাজার ৬৫০ টাকা, পনির দিয়ে আদায় করলে এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৩১০ টাকা ফিতরা প্রদান করতে হবে।

দেশের সকল বিভাগ থেকে সংগৃহীত গম, আটা, যব, কিসমিস, খেজুর ও পনিরের বাজার মূল্যের ভিত্তিতে এই ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে। মুসলমানগণ নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী উপরোক্ত পণ্যগুলোর যেকোনো একটি পণ্য বা এর বাজার মূল্য দ্বারা সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন।


উল্লেখ্য, উপরোক্ত পণ্যসমূহের স্থানীয় খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য রয়েছে। তদানুযায়ী স্থানীয় মূল্যে পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে। সভায় ফিতরা সংক্রান্ত কমিটির উপস্থিত সদস্যরা উল্লেখ করেন, নেছাব পরিমাণ মালের মালিক হলে মুসলমান নারী-পুরুষের ওপর ঈদের দিন সকালে সাদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব হয়। ঈদের নামাজে যাওয়ার পূর্বে ফিতরা আদায় করতে হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।  সভায় আরও ‍উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসের গভর্নর ড. মাওলানা মুহাম্মদ কাফিলুদ্দীন সরকার ও হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ রুহূল আমীন, বিশিষ্ট আলেম মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান সাঈদ, মাওলানা মো. আব্দুর রাজ্জাক, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মো. আনিছুর রহমান সরকার, উপ-পরিচালক ড. মাওলানা আবদুল জলীল, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মুহাদ্দিস মুফতি ওয়ালিয়ূর রহমান খান ও মুফাসসির ড. মাওলানা মুহাম্মদ আবু সালেহ পাটোয়ারীসহ দেশের বিশিষ্ট আলেম ওলামারা।


লেবেলসমূহ:

২০ এপ্রি, ২০২১

ঠাকুরগাঁওয়ে লিচু গাছের সেই আম চুরির অভিযোগ।



ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের (ছোট বালিয়া) মুটকি বাজার কলোনি পাড়া আবদুর রহমানের বাড়িতে রোপণকৃত লিচু গাছে আম ধরেছে- এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে মানুষ ওই বাড়িতে ভিড় জমায়। তবে লিচুগাছে ধরা সেই আমটি এবার দু’জন তরুণ ছিঁড়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

আজ মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

আবদুর রহমান বলেন, স্থানীয় সফিকুল ইসলাম সিকিম মেম্বারের ভাতিজা সোহেল রানা আসে আমটি দেখতে।


সে বাসায় যাওয়ার পথে একটি মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দেয়। এ নিয়ে তর্কাতর্কি হলে বিষয়টি সে তার চাচা সিকিমকে জানালে মেম্বারসহ তিন জন তরুণ আসে। এরপর মেম্বারের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে এক তরুণ আমার গাছ থেকে আমটি ছিঁড়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ইউপি সদস্য সফিকুল ইসলাম জানান, আজ সকালে আব্দুর রহমানের বাসায় গিয়ে বলেছি যে বর্তমান করোনাকাল চলছে তাই কেউ যেন ভিড় না করে।


কে বা কারা তার আম ছিঁড়ে নিয়ে গেছে তা জানি না। তবুও আব্দুর রহমান আমাকেই দোষ দিচ্ছে।

লেবেলসমূহ:

গরু চুরির অভিযোগে গনপিটুনিতে নিহত ১


 

হাজী জাহিদ বিশেষ  
প্রতিনিধি 

নরসিংদীতে গরু চুরির অভিযোগে গনপিটুনিতে এক ব্যাক্তি নিহত ও একজন আহত হয়েছে। গত সোমবার দিবাগত রাতে নরসিংদী সদর উপজেলার চর খোদাদিলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যাক্তির নাম জজ মিয়া(৪৫), সে জেলার রায়পুরা উপজেলার সোনাকান্দি এলাকার মৃত আবদুল মান্নানের ছেলে ও আহত ব্যাক্তি আলী হোসেন(৫০) একই উপজেলার আমিরাবাদ এলাকার মৃত মহিজউদ্দিনের ছেলে।

নরসিংদী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার দত্ত চৌধুরী জানান, নিহত জজ মিয়া ও আহত আলী হোসেন সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে খোদাদিলা গ্রামের কৃষক শহিদ মিয়ার বাড়ি থেকে গরু চুরি করার সময় স্থানীয় লোকজনের নিকট ধরা পড়ে। এরপর ক্ষুব্ধ জনতা তাদের গনপিটুনি দেয় গনপিটুনিতে জজ মিয়ার মৃত্যু হয়।

লেবেলসমূহ:

মির্জাপুরে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার ।


মির্জাপুর প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ঝুলন্ত অবস্থায় এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত ৮টার দিকে নিহতের শ্বশুড়বাড়ি উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের দক্ষিণ পেকুয়া গ্রামের জোড়ান মার্কেট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। কিন্তু নিহতের পরিবারের দাবি তাকে পরিকল্পিতভাবে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনার আগের দিন বাবার বাড়ি থেকে শ্বশুড়বাড়ি যায় সাদিয়া।




নিহত পেকুয়া গ্রামের মো. ওয়াজেদ মিয়ার স্ত্রী ও একই উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের বেলতৈল গ্রামের মো. সেলিম মিয়ার মেয়ে সাদিয়া আক্তার সেতু (২২)।,


নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত আড়াই বছর পূর্বে পেকুয়া গ্রামের রফিক মিয়ার ছেলে (দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী) ওয়াজেদ মিয়ার সাথে সাদিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের ৩ মাস পরই সে প্রবাসে চলে যায়। তারপর থেকে সাদিয়া শ্বশুড় বাড়িতেই থাকতো। কিছুদিন পর থেকেই সাদিয়ার উপর পাশবিক নির্যাতন শুরু করে তার শ্বশুড়বাড়ির লোকজন। একপর্যায়ে ওয়াজেদের বড় বোনের স্বামী জুয়েল মিয়া তাকে বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাব দিতে থাকে। পরে বিষয়টি তার স্বামীকে জানানো হলে সে জুয়েলকে এড়িয়ে চলতে বলে। পরবর্তীতে সে ধৈর্য্য ধরতে না পেরে পুরো বিষয়টি তার বাবা ও মামা মিনহাজ মিয়াকে জানান। তারা সাদিয়ার শ্বশুড়বাড়ি গিয়ে বিষয়টি নিয়ে দুইবার পারিবারিকভাবেও বসেছে। পারিবারিকভাবে বসা হলেও সেখানে জানানো হয় জুয়েল সাদিয়ার সাথে হাসিঠাট্টা করেছে মাত্র।,


নিহতের বাবা সেলিম মিয়া জানান, আমার মেয়ে আমার সাথে সব শেয়ার করতো। আমার মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারেনা। শ্বশুড়বাড়ির লোকজনকে দাবি করা দুই লাখ টাকা দিতে না পারায় আমার মেয়েকে শারিরীক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো, না খাইয়ে রাখতো। আমার মেয়ের ননাসের স্বামী জুয়েল ওকে প্রতিনিয়তই কুপ্রস্তাব দিতো। আমার ধারণা আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।'




মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) মো. আজিম খান বলেন, সংবাদ পেয়ে রাতে ঘটনাস্থল থেকে সাদিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছি। সে সময় তার এক হাত পিছনে ওড়না দিয়ে পেচানো অবস্থায় ছিলো। ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে তবে সিম ও মেমোরিকার্ড পাওয়া যায়নি।,




মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রিজাউল হক বলেন, আমরা ধারণা করছি এটি আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে। লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল পাঠানো হয়েছে। তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

লেবেলসমূহ:

ঘাটাইলে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন।

ঘাটাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন হয়েছেন। আজ সোমবার (১৯ এপ্রিল) বিকালে উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতের নাম বানেছা বেগম (৪০)। তিনি কামালপুর গ্রামের সমশের আলীর মেয়ে। ঘটনার পর থেকে স্বামী খোকন মিয়া পলাতক রয়েছেন। খোকন মিয়া মির্জাপুর থানার বাশতৈল এলাকার কাশেম মিয়ার ছেলে। সাগরদিঘী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো: জাকির হোসেন খুনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।'



 পুলিশ এবং এলাকাবাসী জানান, খোকন মিয়া পেশায় একজন গাড়ি চালক। তিন বছর আগে খোকনের সাথে বিয়ে হয় বানেছার। বানেছা কামালপুর বাবার বাড়িতে থাকার কারণে মাঝে মাঝে খোকন আসা যাওয়া করতো। গত রাতে খোকন বানেছার ঘরে ছিলো এবং রাতে শ্বাসরুদ্ধ করে স্ত্রীকে হত্যা করেছে বলে পুলিশ ধারণা করছে।,



এদিকে স্বামী খোকন মোবাইল বন্ধ করে পলাতক রয়েছে। সাগরদিঘী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো: জাকির হোসেন বলেন, মৃতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘাতককে গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

লেবেলসমূহ: ,

১৯ এপ্রি, ২০২১

ধর্মীয় নেতাদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে: মির্জা ফখরুল।


দেশের ধর্মীয় নেতা ও আলেম-ওলামাদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক যারা এ দেশের মানুষের কাছে শ্রদ্ধার পাত্র, তাদেরও গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাও দেওয়া হচ্ছে।


আজ সোমবার বিকেলে ভার্চ্যুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এসব অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ‘গত কয়েক দিন ধরে লকডাউনের সুযোগ নিয়ে একটা ক্র্যাকডাউন করা হয়েছে। সেই ক্র্যাকডাউনের মধ্য দিয়ে আজকে একদিকে বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। অন্যদিকে ধর্মীয় নেতা যারা আছেন, আলেম ওলামা যারা আছেন তাদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মিথ্যা মামলাও দেওয়া হচ্ছে।;

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ২৬ মার্চকে কেন্দ্র করে যে ঘটনাগুলো সংঘটিত হয়েছে এগুলোতে সরকারের তৈরি করা, আমি এর আগেও বলেছি। সরকার খুবই পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনাগুলো যাতে ঘটে তার জন্য ব্যবস্থা নিয়েছিলেন।

বায়তুল মোকাররমে যে বিক্ষোভ কর্মসূচি হয়েছিল তা শান্তিপূর্ণ ছিল উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, এটাকে অশান্তিপূর্ণ করে দেওয়ার পেছনে পুলিশের সবচেয়ে বড় ভূমিকা, তারপর আওয়ামী লীগের দলীয় সন্ত্রাসীরা ওই কর্মসূচিতে হামলা চালায়। সেই কারণেই হাটহাজারি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে ঘটনাগুলো সংঘটিত হয়েছে।'


এই ধরনের ধর্মীয় নেতাদের অপমান করা হয়রানি করা দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ কোনোভাবেই মেনে নেবে না বলেও মনে করেন মির্জা ফখরুল। তিনি অবিলম্বে এসব মামলা মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি ধর্মীয় নেতা, আলেম ওলামাদের মুক্তি দেওয়ার কথাও বলেছেন। এ ছাড়া বিএনপির যে সমস্ত নেতা কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদেরও নিঃশর্ত মুক্তি এবং সকল মামলা তুলে নেওয়ার দাবি জানান তিনি।,




লেবেলসমূহ:

গাজীপুরে হেফাজত নেতা এমদাদ দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার।



গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলা হেফাজতে ইসলামের আমির ও ওলামা পরিষদের সভাপতি মুফতি এমদাদুল হককে (৪২) তাঁর দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাত একটার দিকে উপজেলার ডাইনকিনি এলাকার বাড়ি থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দুই ভাই হলেন মোহাম্মদ আলী (৪৮) ও আশরাফ হোসাইন (৪০)। কালিয়াকৈর থানার একটি মামলায় তাঁদের তিন ভাইকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গাজীপুর জেলা পুলিশের (কালিয়াকৈর-শ্রীপুর সার্কেল) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আল মামুন বলেন, ককটেল বিস্ফোরণ ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে গতকাল রাতে তাঁদের আটক করা হয়েছে।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, হেফাজত নেতা মামুনুল হকের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে গতকাল রাতে চন্দ্রা-কালামপুর রোডে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে তাদের লক্ষ্য করেও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। আজ সোমবার সকালে বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে কালিয়াকৈর থানায় মামলা হয়েছে। কালিয়াকৈর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মোরশেদ আলী মোল্লা বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।,


গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আমির হোসেন বলেন, গোয়েন্দা পুলিশ ও কালিয়াকৈর থানা–পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করেছে। তাঁদের তিনজনকে আজ সকালে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।,

জেলা হেফজতে ইসলামের যুগ্ম সম্পাদক মুফতি নাসির উদ্দিন খান বলেন, মুফতি এমদাদুল হক কালিয়াকৈর হেফাজতে ইসলামের উপজেলা কমিটির আমির ও ওলামা পরিষদের সভাপতি।, এ ছাড়া তিনি কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা দারুল উলুম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ। তাঁর ছোট ভাই আশরাফ হোসাইন একই প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষক এবং বড় ভাই মোহাম্মদ আলীর মুদিদোকান আছে।'

লেবেলসমূহ:

মামুনুলকে ৭ দিনের রিমান্ডে পেল পুলিশ।

নিজস্ব প্রতিবেদক:



হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ভাঙচুরের মামলায় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। আজ সোমবার বেলা ১১টার পরে মামুনুলকে আদালতে নেওয়া হয়। আদালতের বাইরে কড়া পাহারায় ছিল প্রচুর পুলিশ।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অপরাধ ও তদন্ত বিভাগের উপকমিশনার জাফর হোসেন জানান, মামুনুলকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে চায় পুলিশ। পরে আদালত মামুনুলের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

হেফাজতের নেতা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে অন্তত ১৮টি মামলা রয়েছে। মামুনুল হককে গ্রেপ্তারের জন্য গতকাল দুপুর ১২টা থেকেই ঢাকার মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার আশপাশের এলাকায় কয়েক শ পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর মামুনুলকে প্রথমে শ্যামলীতে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনারের কার্যালয়ে নেওয়া হয়। বেলা দুইটায় নেওয়া হয় তেজগাঁও থানায়। পরে তাঁকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।


২০২০ সালে মোহাম্মদপুরে একটি ভাঙচুরের মামলায় মামুনুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা আছে মতিঝিল থানা, পল্টন থানা ও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে।


মামুনুল হক হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিবের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর কমিটিরও সাধারণ সম্পাদক। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব এবং জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক।

মামুনুল হক ঢাকায় হেফাজতের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের অন্যতম। রাজধানীতে হেফাজতের কর্মসূচিতে তিনি দ্রুত জমায়েত করাতে পারেন। উত্তেজক বক্তৃতার জন্য পরিচিত মামুনুল হক সম্প্রতি হেফাজতের মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মীদের কাছে জনপ্রিয় মুখ হয়ে ওঠেন। তবে ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়্যাল রিসোর্টে দ্বিতীয় স্ত্রীসহ ঘেরাও হওয়ার পর মামুনুল হকের একাধিক বিয়ের খবর বের হয়। একের পর এক অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁস হওয়ার পর ব্যাপক আলোচনার বিষয়ে পরিণত হন তিনি।


পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ৩ এপ্রিল সোনারগাঁয়ে রিসোর্টের ঘটনার পরদিন মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসায় খেলাফত মজলিসের নেতারা জরুরি বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে মামুনুল হক উপস্থিত ছিলেন। এরপর তাঁকে সাংগঠনিক কোনো কর্মকাণ্ডে দেখা যায়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুকে লাইভ বক্তব্য ও স্ট্যাটাস দিয়ে তিনি সক্রিয় ছিলেন। এত দিন তিনি মাদ্রাসাতেই অবস্থান করে আসছিলেন।

মামুনুলের বিরুদ্ধে যেসব মামলা

তেজগাঁও পুলিশ সূত্র জানায়, ২০২০ সালের ৭ মার্চ মোহাম্মদপুর থানায় হওয়া মামলায় মামুনুল হক ৭ নম্বর আসামি। মামলার প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে তাঁর বাবার নাম ও ঠিকানা অজ্ঞাত লেখা আছে। মোহাম্মদপুরের চান মিয়া হাউজিংয়ের বাসিন্দা জি এম আলমগীর শাহীন বাদী হয়ে মামলাটি করেছিলেন। তিনি আসামিদের বিরুদ্ধে বেআইনি জনতাবদ্ধে এলোপাতাড়ি মারধর, হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করে গুরুতর জখম, চুরি, হুমকি দেওয়া, ধর্মীয় কাজে ইচ্ছাকৃতভাবে গোলযোগ সৃষ্টি ও প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন। একটি মুঠোফোন, সাত হাজার টাকা, ২০০ ডলার এবং ব্র্যাক ব্যাংকের ডেবিট কার্ড চুরি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার হারুন অর রশিদ বলেন, মামলাটির তদন্ত তাঁরা করছিলেন। তদন্তে মামুনুল হকের সম্পৃক্ততা পাওয়ার পরই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ডিএমপি সদর দপ্তরের একটি সূত্র প্রথম আলোকে বলেছে, ডিবির মতিঝিল বিভাগে তদন্তাধীন আটটি মামলা, লালবাগ বিভাগে তদন্তাধীন দুটি মামলা এবং তেজগাঁও বিভাগে তদন্তাধীন একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মামুনুল হক। এ ছাড়া মতিঝিল থানায় তদন্তাধীন একটি এবং পল্টন থানায় তদন্তাধীন চারটি মামলায় তাঁর নাম রয়েছে। এই ১৬ মামলার মধ্যে ১৫টি মামলাই হয়েছে ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতের তাণ্ডবের পর। এসব মামলার বাদী পুলিশ। ঢাকায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সর্বশেষ মামলা হয় ৫ এপ্রিল। গত ২৬ মার্চ বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুমার নামাজের পর সংঘর্ষের ঘটনায় এ মামলা করেছেন ঢাকা মহানগর যুবলীগের (দক্ষিণ) উপদপ্তর সম্পাদক খন্দকার আরিফ উজ জামান। মামুনুল হক এ মামলার ১ নম্বর আসামি।

লেবেলসমূহ:

শুভ জন্মদিন মেহজাবিন।


বাংলা নাটকে এই সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবিন। আজ এই অভিনেত্রীর 30 তম জন্মদিন। ১৯৯১ সালের আজকের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। নাটক বিজ্ঞাপন সর্বক্ষেত্রে সমানতালে জনপ্রিয় এই গুণী অভিনেত্রী। যার তুলনা তিনি নিজেই।

২০০৯সালে লাক্স সুন্দরী হয়ে শোবিজে যাত্রা করেন তিনি। সাবলীল আর অনবদ্য অভিনয় দিয়েই দর্শক মহলে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন এই অভিনেত্রী।

দর্শক থেকে নির্মাতা সবার ভাষ্য, মেহজাবিনের অভিনয়ে আলাদা মুগ্ধতা রয়েছে। এ কারণে খুব সহজেই দর্শকদের মনে স্থান করে নিতে পেরেছেন মেহজাবিন।

নাচেও বেশ দক্ষতা রয়েছে মেহজাবিনের। বিভিন্ন টেলিভিশন ও কর্পোরেট অনুষ্ঠানে নাচ করেন তিনি। এক কথায় বলতে গেলে মেহজাবিন সর্বগুণে গুণান্বিত।

মেহজাবিনের পৈত্রিক নিবাস চট্টগ্রামে। তবে তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা দুবাইয়ে। তিনি শান্ত-মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ে পড়াশোনা করছেন। রাত বারোটার পর থেকেই ভক্তদের শুভেচ্ছায় ভাসছেন এই অভিনেত্রী।

জন্মদিন উপলক্ষে প্রতিবারই বিশেষ কোনো আয়োজন থাকে। তবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে এবার ঘরবন্দি হয়ে নিরবেই জন্মদিন কাটাচ্ছেন মেহজাবিন। আগেই করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করেছেন এই অভিনেত্রী।

মেহজাবিন বলেন, ‘যদি জ্বর জ্বর লাগে, কাশি হয়, শরীর দুর্বল লাগে, করোনার যেসব লক্ষণ আছে সেগুলো নিজের মধ্যে পান তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এই ভারাইরাসটা একদমই নতুন। আমরা জানি না, কীভাবে এগুলো প্রতিরোধ করবো। সবাই নিরাপদে থাকুন। ইনশাল্লাহ দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা এই চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করতে পারবো।

লেবেলসমূহ:

রোজার নিয়ত ও সেহরি-ইফতারের দোয়া।


পবিত্র রমজান মাসে রোজা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ তা'আলা। প্রাপ্ত বয়স্ক মুসলমান নারী-পুরুষের জন্য রোজা রাখা ফরজ। রোজা রাখার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর নৈকট্য ও তাকওয়া লাভে ধন্য হয়।

রোজা পালন উপলেক্ষ আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর সিয়াম বা রোজা ফরজ করা হয়েছে; যেভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল; যাতে তোমরা তাকওয়া (আত্মশুদ্ধি) অর্জনে করতে পার। (সূরা বাকারা : আয়াত ১৮৩)

রমজানের রোজা পালনের জন্য সেহরি করা আবশ্যক। হাদিসে পাকে প্রিয়নবী (সা.) সেহরি গ্রহণের তাগিদ দিয়েছেন। আবার যথাসময়ে ইফতার গ্রহণেরও তাগিদ প্রদান করেছেন।

হযরত আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আমাদের রোজা এবং আহলে কিতাব তথা ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানদের রোজার মধ্যে পার্থক্য হলো সেহরি খাওয়া। অর্থাৎ মুসলিমরা সেহরি খায় আর ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানরা সেহরি খায় না।’ (মুসলিম ও নাসাঈ)

রোজা পালনে সেহরি ও ইফতারের যেমন গুরুত্ব রয়েছে তেমনি রোজার নিয়ত ও ইফতারের দোয়ার রয়েছে যথেষ্ট গুরুত্ব ও তাৎপর্য। সেহরি খাওয়ার পর রোজার নিয়ত করা জরুরি।

রোজার নিয়ত

نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم

আরবি নিয়ত : নাওয়াইতু আন আছুম্মা গাদাম মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।

বাংলায় নিয়ত : হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়ত) করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে (আমার রোজা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে) কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

ইফতারের আগ মুহূর্তে বেশি বেশি ইসতেগফার পড়া সওয়াবের কাজ।

اَسْتَغْفِرُ اللهَ الْعَظِيْم – اَلَّذِىْ لَا اِلَهَ اِلَّا هُوَ اَلْحَيُّ الْقَيُّوْمُ وَ اَتُوْبُ اِلَيْهِ لَا حَوْلَ وَ لَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِىِّ الْعَظِيْم

আসতাগফিরুল্লাহাল আজিম, আল্লাজি লা ইলাহা ইল্লাহু আল-হাইয়্যুল ক্বাইয়্যুম, ওয়া আতুবু ইলাইহি লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজিম।

ইফতারের সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দোয়া পড়ে ইফতার করা

اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ وَ اَفْطَرْتُ بِرَحْمَتِكَ يَا اَرْحَمَ الرَّاحِيْمِيْن

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।

অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিযিক্বের মাধ্যমে ইফতার করছি।

ইফতারের পর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে দোয়া পড়া

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইফতার করতেন তখন বলতেন-

ذَهَبَ الظَّمَاءُ وَابْتَلَتِ الْعُرُوْقُ وَ ثَبَتَ الْأَجْرُ اِنْ شَاءَ اللهُ

উচ্চারণ : ‘জাহাবাজ জামাউ; ওয়াবতালাতিল উ’রুকু; ওয়া ছাবাতাল আঝরূ ইনশাআল্লাহ।’

অর্থ : ‘(ইফতারের মাধ্যমে) পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপসিরা সিক্ত হলো এবং যদি আল্লাহ চান সাওয়াবও স্থির হলো।’ (আবু দাউদ, মিশকাত)

আল্লাহ তা’আলা মুসলিম উম্মাহকে সেহরির পর নিয়ত করা, ইফতারের আগে তাওবা-ইসতেগফার করা, ইফতারের সময় দোয়া পড়া এবং ইফতারের পর শুকরিয়া আদায় করে দোয়া পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।


লেবেলসমূহ:

সেহরিতে বিশ্বনবী যা খেতেন।


রাসুল (সা.) এর সাহারিও ছিল খুব সাধারণ। তিনি (সা.) দেরি করে একেবারে শেষ সময়ে সেহরি খেতেন। সেহরিতে তিনি দুধ ও খেজুর পছন্দ করতেন। সেহরিতে সময় নিয়ে কঠোরতা করা তিনি পছন্দ করতেন না।

বেশিরভাগ সামান্য ভেজা বা শুকনো খেজুর আর পানি দিয়ে ইফতার করতেন তিনি। ভেজা খেজুর সেহরিতে পছন্দ করতেন তিনি। সেহরি ও ইফতারে কখনো জাঁকজমক কিছু ছিল না তার। রমজানে রাসুলের এ আচরণ বিষয়ে বিভিন্ন হাদিসে উল্লেখ পাওয়া যায়। 

এরকম কয়েকটি হাদিস হলো: হজরত আনাস (রা.) হতে বর্ণিত, (كان النبي صلي الله عليه و سلم يفطر قبل أن يصلي على رطبات، فإن لم تكن رطبات فتميرات، فإن لم تكن تميرات حسا حسوات من ماء ) রাসুল (সা.) নামাজ আদায়ের আগে কয়েকটি ভেজা খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন, যদি ভেজা খেজুর না থাকত, তবে সাধারণ শুকনো খেজুরই গ্রহণ করতেন। যদি তাও না থাকত, তবে কয়েক ঢোক পানিই হত তার ইফতার। [তিরমিজি : ৬৯৬] 

আরেকটি বর্ণনায় পাওয়া যায়, উপরোক্ত কিছুই যদি না থাকে, তবে রোজাদার যে কোনো হালাল খাদ্য দিয়ে ইফতার করে নিবে। তবে, খাদ্যই যদি না থাকে, তাহলে ইফতারের নিয়ত করবে। ইফতারের নিয়তই হবে তার জন্য ইফতার।


লেবেলসমূহ:

রোজা ভঙ্গের কারণ কি কি ? -দৈনিক আমাদের টাঙ্গাইল


 শুরু হয়ে গেল পবিত্র মাহে রমজান..  রোযাদার ব‍‍্যাক্তিকে আল্লাহ্ নিজ হাতে পুরস্কার দিবেন। তো চলুন যেনে নেই কি কি কারনে আমাদের রোজা  ভেঙ্গে যায় অথবা রোজা ভঙ্গের কারণ কি কি?

ইসলামী শরিয়তে সিয়ামের শুদ্ধতা ও যথার্থতার জন্য নির্ধারিত কিছু বিধি-বিধান রয়েছে, যার ব্যতিক্রম ঘটলে রোজা ভঙ্গ হয়, অন্যথায় মাকরূহ হয়।


রোজা বা সিয়াম ভঙ্গের কারণসমূহ: (১) ইচ্ছাকৃত পানাহার করলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যায়। অনুরূপ ধুমপান করলে অথবা চিনি-লবন জাতীয় কোন বস্তু মুখে রাখার পর থুতুু গিলে ফেললে রোজা নষ্ট হয়ে যাবে। তবে ভুলবশত কিছু খেয়ে নিলে অথবা জোরপূবর্ক রোজাদারকে কেউ কিছু খেতে বাধ্য করলে রোজা ভঙ্গ হবে না।


(২) ইচ্ছাকৃত বমি করলে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যায়। তবে অনিচ্ছাকৃত বমির কারণে সিয়াম ভঙ্গ হবে না। যেমন মহানবী সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “যার অনিচ্ছাকৃত বমি আসে, তাকে সিয়াম কাযা করতে হবে না, আর যে ইচ্ছাকৃত বমি করে, সে যাতে তা কাযা করে (তিরমীজি)”।


(৩) রোজাদার সিয়াম অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করলে, তাকে উক্ত রোজা কাযা করতে হবে এবং কাফফারা আদায় করতে হবে।,


(৪) পানাহারের কাজ করে এমন ইনজেকশন গ্রহণ করাতেও রোজা ভঙ্গ হবে। ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে জীবনীশক্তি বৃদ্ধি করার জন্য কিংবা অন্য কোন কারণে শরীরে ওষুধ প্রবেশ করানো হলে রোজা ভেঙ্গে যাবে। শরীরের শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে যেমন গ্লুকোজ জাতীয় ইনজেকশন ব্যবহারে রোজা ভেঙ্গে যাবে। কারণ খাবার যেই কাজ করে এক্ষেত্রে অনেকটা একই কাজ করছে এটি। তবে শুধুমাত্র অপারগতায় চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ইনসুলিন, পেনিসিলিন জাতীয় ইনজেকশন নেওয়া হয়, তাহলে রোজা ভঙ্গ হবে না।'


(৫) মহিলাদের হায়েয বা নিফাস হলে অর্থাৎ মাসিক রক্তস্রাব শুরু হলে অথবা সন্তান প্রসব করলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে। পরবর্তীতে সমান সংখ্যক রোজা কাযা করে নিতে হবে।


(৬) মুখ খোলা রাখার কারণে বৃষ্টির পানি কণ্ঠনালীতে প্রবেশ করলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যায়।


(৭) হস্তমৈথুন, আলিঙ্গন, অথবা চুম্বনের মাধ্যমে বির্যপাত ঘটালে রোজা ভঙ্গ হবে। তবে স্বপ্নদোষ বা রোগের কারণে বির্যপাত হলে রোজা ভঙ্গ হবে না। কেননা এতে রোজাদারের কোন ইচ্ছা ছিল না।


(৮) দাঁতে আটকে থাকা ছোলা পরিমাণ বা তার চেয়ে বড় খাদ্যদ্রব্য গিলে ফেললে অথবা এর চেয়ে কম পরিমাণ মুখ থেকে বের করে পূণরায় গিলে ফেললে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।


(৯) দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত বের হয়ে তা কণ্ঠনালীতে পৌঁছালে এবং রক্তের স্বাদ অনুভূত হলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।


(১০) সাহরি গ্রহণের সময় রয়েছে মনে করে পানাহার করলো, কিন্তু দেখা গেলো সুবহে সাদিক শেষ হয়ে গেল। সে রোজা হবে না।


(১১) কুলি করার সময় অসতর্কতার কারণে কণ্ঠনালীতে পানি প্রবেশ করলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যায়।


যেসব কারণে রোজা ভাঙ্গে না, তবে মাকরূহ হয়ে যায়:


(১) গড়গড়া কুলি করা অথবা নাকে বেশি গভীরে পানি দেওয়া।


(২) অপ্রয়োজনে কোন জিনিস চিবানো।


(৩) তরকারি, তৈরিকৃত খাবার ইত্যাদির স্বাদ গ্রহণ করে ফেলে দেয়া। তবে কোন চাকরের মুনিব বা কোন নারীর স্বামী বদ মেজাজী হলে জিহ্বার অগ্রভাগ দিয়ে লবন চেখে তা ফেলে দেওয়ার অবকাশ আছে।


(৪) পরনিন্দা করা, মিথ্যা বলা, চোগলখুরী করা, অনর্থক কথাবার্তা বলা, নাটক-সিনেমা দেখা ও যেকোন গুনাহের কাজ করা।


(৫) গোসল ফরজ হয়েছে, এমন অবস্থায় নাপাক থেকে সারাদিন অতিবাহিত করা।


(৬) রোগী বা কোন পরীক্ষার জন্য শরীর দুর্বল হয়ে যায়, এমন পরিমাণ রক্ত দেওয়া।


(৭) রোজা অবস্থায় টুথপেস্ট-মাজন ব্যবহার করা মাকরুহ। কেননা তা কণ্ঠনালীতে প্রবেশ করলে রোজা ভেঙ্গে যায়।


(৮) রোজা অবস্থায় ঝগড়া করা, গালি-গালাজ করা।


(৯) মুখে অধিক পরিমাণ থুথু একত্রে গিলে ফেলা ।


(১০) দাঁতে ছোলা/বুটের চেয়ে ছোট কোন বস্তু আটকে থাকলে তা বের করে মুখের ভিতর থাকা অবস্থায় গিলে ফেলা।


(১১) নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকবে না এরূপ মনে হওয়া সত্ত্বেও স্ত্রীকে চুম্বন করা ও আলিঙ্গন করা। আর রোজা অবস্থায় স্ত্রীর ঠোঁট মুখে নেয়া সর্বাবস্থায় মাকরূহ।


(১২) নিজের মুখ দিয়ে চিবিয়ে কোন বস্তু শিশুর মুখে দেয়া। তবে অনন্যোপায় হয়ে করলে অসুবিধা নাই।


(১৩) ঠোটে লিপিস্টিক লাগালে যদি মুখের ভিতর চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে তাহলে তা মাকরূহ।



লেবেলসমূহ:

রোজার নিয়ত আরবি ও বাংলা অর্থসহ -দৈনিক আমাদের টাঙ্গাইল


 রমজানের মাসে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন‍্য রোজা ফরজ করেছেন আল্লাহ্। রোজা রাখা যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমন আমাদের রোজা নিয়ত পড়া ও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে আজে আমরা রোজার নিয়ত ভুলে গেছি। আসলে তাদের জন্য আজকে আমার রোজার নিয়ত লেখা।  


রোজার নিয়ত :

نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم


আরবি নিয়ত : নাওয়াইতু আন আছুম্মা গাদাম মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।


বাংলায় নিয়ত : হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়্যত) করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে (আমার রোযা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে) কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

লেবেলসমূহ: